যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে খাবার উৎসবে বন্দুক হামলায় নিহত ২, আহত ৫
মেলবোর্ন, ২৭ জুলাই: যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের সিয়াটল শহরের জনপ্রিয় খাবার উৎসব ‘বাইট অব সিয়াটল’-এ বন্দুক হামলায় অন্তত দুইজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একটি…
মেলবোর্ন, ২৬ জুলাই: জার্মানির রাজধানী বার্লিনে ‘ক্রিস্টোফার স্ট্রিট ডে’ (সিএসডি) প্রাইড উৎসবে জনসমাগমের মধ্যে গাড়ি তুলে দেওয়ার ঘটনায় একজন নিহত এবং অন্তত ১৭ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর সন্দেহভাজনের পরিচয় প্রকাশ করে তাকে গ্রেপ্তারে শহরজুড়ে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে বার্লিন পুলিশ। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন ২১ বছর বয়সী এক তরুণ, যার নাম প্রকাশ করা হয়েছে আবদুল বি.। তার গড়ন হালকা-পাতলা, চুল কালো এবং ঘটনার সময় তার পরনে ছিল কালো হুডি ও সাদা প্যান্ট। প্রায় ১ দশমিক ৯ মিটার উচ্চতার ওই ব্যক্তি হামলার পর ঘটনাস্থলে গাড়ি ফেলে পালিয়ে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ সতর্ক করে জানিয়েছে, সন্দেহভাজন অস্ত্রধারী ও অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে। তাই সাধারণ মানুষকে তার কাছাকাছি না যাওয়ার এবং তাকে দেখলে দ্রুত পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
শনিবার রাত প্রায় ১০টার দিকে বার্লিনের ব্রান্ডেনবুর্গ গেটসংলগ্ন টিয়ারগার্টেন পার্ক এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি চলন্ত গাড়ি হঠাৎ উৎসবের ভিড়ের মধ্যে ঢুকে একাধিক মানুষকে চাপা দেয়। পরে সেটি একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে থেমে যায়। ঘটনায় একজন নিহত এবং অন্তত ১৭ জন আহত হন। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং কয়েকজনের অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
ঘটনার পরপরই বার্লিনজুড়ে হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করে সন্দেহভাজনের সন্ধানে অভিযান শুরু করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করে দেখছে, অনুষ্ঠানস্থলের চারপাশে ২৫০টিরও বেশি নিরাপত্তা প্রতিবন্ধক বসানো থাকা সত্ত্বেও কীভাবে গাড়িটি জনসমাগমের মধ্যে প্রবেশ করতে সক্ষম হলো। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা ছবি ও ভিডিও পুলিশের কাছে জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
হামলার পর আয়োজকরা উৎসবস্থলের বড় পর্দায় জরুরি বার্তা প্রদর্শন করে সবাইকে দ্রুত এলাকা ত্যাগের নির্দেশ দেন এবং সঙ্গে সঙ্গে অনুষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। আতঙ্কিত অংশগ্রহণকারীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে কাজ করে পুলিশ ও জরুরি উদ্ধারকারী দল।
জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস ঘটনাটিকে “ভয়াবহ ও মর্মান্তিক” বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি নিহতের পরিবারের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, ফেডারেল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডোব্রিন্টের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য করতে রাজি নয় বার্লিন পুলিশ।
সুত্রঃ বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au