১৯ বছর পর কলকাতায় ফিরছেন তসলিমা নাসরিন
মেলবোর্ন, ২৭ জুলাই: প্রায় ১৯ বছর পর আগামী ১ আগস্ট কলকাতায় ফিরছেন নির্বাসিত বাংলাদেশি লেখক তসলিমা নাসরিন। তাঁর এই প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গে আবারও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা,…
মেলবোর্ন, ২৬ জুলাই: ইরাকের এরবিলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবকাঠামোর বড় অংশ ধ্বংস করে দেওয়ার দাবি করেছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক হামলায় এরবিলে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে। তবে এ দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি এবং যুক্তরাষ্ট্রও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
শনিবার (২৫ জুলাই) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আক্রমিনিয়া দাবি করেন, ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে ইরাকের এরবিলে অবস্থিত প্রায় সব মার্কিন সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে এবং সেখানে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত “বিপ্লববিরোধী গোষ্ঠীগুলোর” কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা আর নেই।
তিনি আরও বলেন, পশ্চিম এশিয়া, দক্ষিণ ইউরোপ এবং ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে মোতায়েন বাহিনীর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠনের চেষ্টা করতে পারে। তবে সংঘাত অব্যাহত থাকলে ইরানও নিজেদের সামরিক অভিযান চালিয়ে যাবে বলে সতর্ক করেন তিনি।
ইরানি সেনা মুখপাত্র আরও দাবি করেন, ৪০ দিনের সংঘাতের পর দেশটি নতুন প্রজন্মের ড্রোন মোতায়েন করেছে, যা আরাশ-২ ড্রোনের তুলনায় আরও দীর্ঘপাল্লার, নির্ভুল এবং অধিক বিধ্বংসী। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে এসব ড্রোনের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বা বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
এছাড়া ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির পর ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক সরঞ্জামের বড় অংশ পুনরায় সচল করা হয়েছে। একই সঙ্গে নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আগের তুলনায় আরও শক্তিশালী করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
তবে ইরানের এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এরবিলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস বা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। ফলে ঘটনাটির প্রকৃত চিত্র নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au