শরীর ম্যাসাজের কথা বলে রুমে ডেকে বলাৎকার, পালিয়ে বেরাচ্ছেন মাদ্রাসা শিক্ষক
রংপুরের কাউনিয়ায় একটি মাদ্রাসার এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের আবাসিক এক শিক্ষার্থীকে শরীর ম্যাসাজ করে দেওয়ার কথা বলে কক্ষে ডেকে নিয়ে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক…
মেলবোর্ন, ২৯ জুলাই: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের প্রভাবে ইরানের প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ২৩ কোটি (২৩০ মিলিয়ন) ঘনমিটার কমে গেছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, যুদ্ধের কারণে জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উৎপাদন সক্ষমতায় উল্লেখযোগ্য ধাক্কা লেগেছে, যা দেশের জ্বালানি খাতের জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।
মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের সরকারি মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি বলেন, যুদ্ধের সময় বিভিন্ন জ্বালানি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গ্যাস উৎপাদন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। তিনি জানান, সংঘাতের প্রভাব শুধু গ্যাস খাতেই নয়, সামগ্রিক জ্বালানি অবকাঠামোর ওপরও পড়েছে এবং ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সময় লাগবে।
এর আগে গত এপ্রিলে ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। তেহরানের দাবি, হামলার ফলে দেশের জ্বালানি, শিল্প ও অবকাঠামো খাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
ইরানের কর্মকর্তাদের আগের হিসাব অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাতের কারণে দেশটির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। সর্বশেষ গ্যাস উৎপাদন সক্ষমতা ২৩ কোটি ঘনমিটার কমে যাওয়ার তথ্য সেই ক্ষয়ক্ষতির মাত্রাকেই আরও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গ্যাস মজুতের দেশ ইরানে উৎপাদন সক্ষমতা কমে যাওয়ার প্রভাব শুধু দেশটির অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সরবরাহেই নয়, ভবিষ্যতে আঞ্চলিক জ্বালানি বাজার ও রপ্তানি পরিকল্পনার ওপরও পড়তে পারে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো দ্রুত পুনর্গঠনের পাশাপাশি উৎপাদন সক্ষমতা পুনরুদ্ধারকে এখন অগ্রাধিকার দিচ্ছে তেহরান।
সুত্রঃ গালফ নিউজ
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au