গুলশান থেকে গ্রেপ্তার সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী
মেলবোর্ন, ৩০ জুলাই: শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি)…
মেলবোর্ন, ৩০ জুলাই: মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর তেহরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, এই হামলার জন্য ইরানকে চরম মূল্য দিতে হবে।
বুধবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “আমরা তাদের কঠোরভাবে জবাব দেব। আমরা তাদের ওপর প্রচণ্ড আঘাত হানব। তারা এর জন্য বড় মূল্য দেবে।”
মার্কিন কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর লক্ষ্য ছিল জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই আকাশে ভূপাতিত করা হয়েছে। এতে মার্কিন ঘাঁটিতে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানতে পারেনি।
ট্রাম্প এই হামলাকে “আকস্মিক হামলা” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগে মার্কিন সেনাদের প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য মাত্র কয়েক মিনিট সময় ছিল। তিনি জানান, ভিডিও ফুটেজে তিনি দেখেছেন কীভাবে মার্কিন সেনারা রিয়েল-টাইমে ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে, তাদের অবস্থান নির্ধারণ করে এবং আঘাত হানার আগেই ধ্বংস করে দেয়।
তিনি বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনীর দ্রুত ও সফল পদক্ষেপের কারণেই সম্ভাব্য বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
এদিকে, এই ঘটনার পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
সব ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের দাবি সেন্টকমের
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে ইরানের অভ্যন্তর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে আইআরজিসি একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সেন্টকম দাবি করে, এটি ছিল মার্কিন বাহিনীর ওপর আকস্মিক হামলার চেষ্টা। তবে নিক্ষেপ করা সব ক্ষেপণাস্ত্রই প্রতিহত করা হয়েছে।
যদিও সেন্টকম হামলার নির্দিষ্ট স্থান উল্লেখ করেনি, মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, হামলার লক্ষ্য ছিল জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি।
অন্যদিকে, ইরাকে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের যৌথ বিমান হামলার বিষয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরাক সরকারের সঙ্গে পূর্ণ সমন্বয় করেই এই সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
ট্রাম্প ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলোকে বিশ্বের জন্য “ক্যান্সার” আখ্যা দিয়ে বলেন, তেহরানের আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর চাপ অব্যাহত রাখবে ওয়াশিংটন।
তবে কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি কূটনৈতিক পথও খোলা রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়লেও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতাকারীরা ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবেন।
সূত্র: এএফপি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au