শরীর ম্যাসাজের কথা বলে রুমে ডেকে বলাৎকার, পালিয়ে বেরাচ্ছেন মাদ্রাসা শিক্ষক
রংপুরের কাউনিয়ায় একটি মাদ্রাসার এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের আবাসিক এক শিক্ষার্থীকে শরীর ম্যাসাজ করে দেওয়ার কথা বলে কক্ষে ডেকে নিয়ে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক…
মেলবোর্ন, ৩ আগস্ট: উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত স্পেনের স্বশাসিত অঞ্চল সেউটায় নজিরবিহীন অভিবাসী অনুপ্রবেশের পর সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে সমুদ্রে ৫০০ মিটার দীর্ঘ একটি প্রতিরোধক বাঁধ বা ব্যারিয়ার নির্মাণ করেছে স্পেন সরকার। চলতি সপ্তাহের শুরুতে ১০ হাজারের বেশি অভিবাসী সেউটায় প্রবেশের চেষ্টা করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার (১ আগস্ট) পর্যন্ত সাঁতরে সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা এবং ব্রেকওয়াটার ব্যারিয়ার পার হতে গিয়ে সৃষ্ট হুড়োহুড়িতে অন্তত ৬৭ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার মাত্র দুই দিনে প্রায় ৫০ হাজার থেকে ৬০ হাজার অভিবাসী সেউটায় প্রবেশের চেষ্টা করেন। এতে অঞ্চলটিতে বড় ধরনের মানবিক সংকট তৈরি হয় এবং ইউরোপজুড়ে অভিবাসন নীতি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়। যদিও অনুপ্রবেশকারীদের একটি বড় অংশকে ইতোমধ্যেই মরক্কোয় ফেরত পাঠানো হয়েছে।
মেডিটেরেনিয়ান সাগরের প্রবেশদ্বার এবং জিব্রাল্টার প্রণালিতে অবস্থিত সেউটা ১৫৮০ সাল থেকে স্পেনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সাম্প্রতিক এই সংকটের পর দেশটির ডানপন্থী ও উগ্র-ডানপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো সমাজতান্ত্রিক সরকারের কঠোর সমালোচনা শুরু করেছে। তাদের অভিযোগ, সরকারের অভিবাসন নীতি সীমান্ত নিরাপত্তাকে দুর্বল করেছে।
এর আগে স্পেন সরকার ২০২৬ সালের আগে দেশে প্রবেশ করা অবৈধ শ্রমিকদের আইনি বৈধতা দেওয়ার নীতি গ্রহণ করেছিল, যা নিয়েও ব্যাপক রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়।
সেউটা সংকটের জেরে ইউরোজোনের কয়েকজন নেতা স্পেনকে সাময়িকভাবে সীমান্তমুক্ত শেনজেন অঞ্চল থেকে বহিষ্কারের দাবি তুলেছেন। তবে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এ দাবিকে কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, এ ধরনের দাবি কুসংস্কার, ভুয়া তথ্য, অজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক স্বার্থ থেকে উৎসাহিত।
পেদ্রো সানচেজ আরও বলেন, বর্তমান সংকট সত্ত্বেও ইতালি বা গ্রিসের তুলনায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে স্পেনে অবৈধ অনুপ্রবেশের হার তুলনামূলকভাবে কম ছিল।
শনিবার সকালে কয়েকজন অভিবাসী সাঁতরে সেউটার তারাজাল সৈকতে পৌঁছানোর চেষ্টা করলে স্প্যানিশ সামরিক বাহিনী তাদের আটক করে সীমান্তে ফেরত পাঠায়।
স্পেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফার্নান্দো গ্রান্দে-মারলাস্কা বলেছেন, আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে সরকার কোনো ধরনের ছাড় দেবে না। একই সঙ্গে তিনি মরক্কোর ভূমিকাকে ইতিবাচক উল্লেখ করে বলেন, দুই দেশের সমন্বিত সহযোগিতার কারণেই মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মরক্কো স্পেন বা সেউটার জন্য কোনো হুমকি নয়। বরং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশটি স্পেনের বিশ্বস্ত সহযোগী হিসেবে কাজ করছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au