চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন ৬ এপ্রিল- অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ গত বছর বাংলাদেশে পাঁচ সন্তানের জননী কুইন্সল্যান্ডের রেহানা পারভিনের সন্দেহজনক হত্যাকাণ্ড তদন্ত করতে বাংলাদেশ গেছে। অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ (এএফপি)-এর একজন মুখপাত্র জানান, “বাংলাদেশে একজন অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকের সন্দেহজনক হত্যাকাণ্ড” তদন্তের অংশ হিসেবে নভেম্বরে পুলিশ কর্মকর্তারা বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। এই তদন্ত কমনওয়েলথ ক্রিমিনাল কোডের একটি ধারার অধীনেই চলছে, যা অস্ট্রেলিয়ার বাইরে কোনো নাগরিক বা বাসিন্দার হত্যার সঙ্গে সম্পর্কিত।
পাঁচ সন্তানের জননী রেহানা পারভিন গত বছরের ৬ জুন বাংলাদেশে বেড়াতে গিয়েছিলেন। বাংলাদেশে পৌঁছে এক রাত নিজের বাবা-মায়ের বাড়িতে কাটানোর পর শ্বশুরবাড়িতে যান। রেহানা পারভিনের মা তিন দিন পর তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি পুলিশে জানান। রেহানা পারভিনের স্বামী আওলাদ হোসেন ২৯ জুন বাংলাদেশে পৌঁছান এবং ১৩ জুলাই অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে আসেন। ওই সময় তদন্তে নিয়োজিত বাংলাদেশ পুলিশের সহকারী সুপারিন্টেন্ডেন্ট আশরাফুল আলম জানান, রেহানা নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়ার এক সপ্তাহ পর তার স্বামী আওলাদ হোসেন অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে যান।
সুপারিন্টেন্ডেন্ট আলম গত অক্টোবরে নিউজওয়্যারকে বলেন, পুলিশ আওলাদ হোসেনের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে এবং তাকে কুইন্সল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের চেষ্টা চলছে। বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি নেই। তবে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে এমন প্রক্রিয়া রয়েছে, যা বাংলাদেশ ইতিপূর্বে ব্যবহার করেছে।
রেহানা পারভিনের নিখোঁজ-এর বিষয়ে স্বীকার করার পর গত বছর তার স্বামীর বোন পাপিয়া আক্তার এবং গ্রামের এক ‘চাচা’ আমজাদ হোসেনকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
গত ১২ সেপ্টেম্বর সাভারের আশুলিয়ার একটি গ্রামে রেহানা পারভিনের নিজ বাড়ির সেপটিক ট্যাংকের পাশ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সেখানে তার মরদেহ পুঁতে রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
বিয়ের পর এই দম্পতি অস্ট্রেলিয়া চলে আসেন এবং নাগরিকত্ব নিয়ে প্রায় ২০ বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছিলেন। এই সময়ের মধ্যে তাঁরা ব্রিসবেন ও কুইন্সল্যান্ডের বিভিন্ন এলাকায় থেকেছেন। এবিসি নিউজের অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, এই দম্পতি নিজেদের মধ্যেই থাকতেন। বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে তারা খুব মেলামেশা করতেন না। রেহানা-আওলাদ দম্পতির বেশ কিছু প্রপার্টি কুইন্সল্যান্ডে রয়েছে।
এএফপি-এর তদন্ত এখনও চলছে বলে জানা গেছে। এএফপি-এর একজন মুখপাত্র বলেন, “উপযুক্ত সময়ে” এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে মন্তব্য করা হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au