বাংলাদেশ

আগস্টের শেষ সপ্তাহেই দিল্লি যেতে পারেন তারেক রহমান

  • 4:38 am - August 12, 2026
  • পঠিত হয়েছে:২৮ বার
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবিঃ সংগৃহীত

 মেলবোর্ন, ১২ আগষ্ট-  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী আগস্টের শেষ সপ্তাহে ভারত সফর করতে পারেন। ভারতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই এ সফর হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে। এর আগে সেপ্টেম্বরের ১২ ও ১৩ তারিখ নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে তারেক রহমানের অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছিল। তবে বাংলাদেশি নিরাপত্তা সূত্রগুলো বলছে, ওই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লিতে উপস্থিত থাকা সম্ভব হবে না বলে তার ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে ভারতকে জানিয়েছেন।

এ পরিস্থিতিতে বিকল্প পরিকল্পনা হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনের আগেই আগস্টের শেষ দিকে তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়টি সামনে এসেছে। ওই সফরে ভারতের শীর্ষ নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর একান্ত বৈঠকের ব্যবস্থা করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

গত দুই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একের পর এক উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ায় এই সফরকে ঘিরে নতুন করে গুরুত্ব তৈরি হয়েছে। একই সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ নিয়েও ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আলোচনা জোরালো হয়েছে। ঢাকা ও দিল্লিতে ভারতীয় কর্মকর্তাদের অস্বাভাবিকভাবে ঘন ঘন বৈঠক এবং নিরাপত্তা পর্যায়ের যোগাযোগের কারণে শেখ হাসিনার সম্ভাব্য দেশে ফেরার বিষয়টি দুই দেশের সম্পর্কের একটি সংবেদনশীল ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।

সর্বশেষ মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর। বৈঠক শেষে গোর জানান, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলাসহ ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লির কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়েই আলোচনা হয়েছে।

তবে এই বৈঠকটি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ে গোর, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মধ্যে ধারাবাহিক যোগাযোগের কারণে। গত ৩১ জুলাই বাংলাদেশ সফরের সময় ঢাকায় দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন গোর। ওই বৈঠকে শেখ হাসিনার ভারত থেকে বাংলাদেশে সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছিল বলে জানা গেছে।

১১ আগস্ট গোর ও দোভালের বৈঠকে দীনেশ ত্রিবেদী উপস্থিত ছিলেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। একই সময়ে ওয়াশিংটন, নয়াদিল্লি ও ঢাকার মধ্যে বাংলাদেশের দ্রুত পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ঘনিষ্ঠ পরামর্শ চলছে কি না, তা নিয়ে কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে গোর ও দোভালের বৈঠকে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে সরাসরি আলোচনা হয়েছে বা এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে, এমন কোনো প্রকাশ্য তথ্য নেই। বৈঠকের আনুষ্ঠানিক বিবরণে কৌশলগত সহযোগিতা, নিরাপত্তা ও ভূরাজনৈতিক বিষয়গুলোর কথাই বলা হয়েছে।

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ভারত-বাংলাদেশ যোগাযোগ অবশ্য অনেক বেশি স্পষ্ট। গত ১০ আগস্ট ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথমবারের মতো উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন দীনেশ ত্রিবেদী। বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া দ্রুত করার জন্য ভারতের প্রতি আশা প্রকাশ করেছে ঢাকা। একই সঙ্গে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য একটি ‘সহায়ক পরিবেশ’ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন তারেক রহমান।

পরে দীনেশ ত্রিবেদী বৈঠকটিকে ফলপ্রসূ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। ভারতের সরকারি বক্তব্যেও বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের সঙ্গে ‘ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যতমুখী’ দৃষ্টিভঙ্গিতে কাজ করার আগ্রহের কথা বলা হয়েছে।

এই বৈঠক এমন এক সময়ে হয়েছে, যখন শেখ হাসিনা ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশ ছাড়ার পর থেকে ভারতে অবস্থান করছেন। সম্প্রতি তিনি ডিসেম্বরের দিকে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। তার এই বক্তব্য দুই দেশের মধ্যে আগে থেকেই বিতর্কিত প্রত্যর্পণ ইস্যুকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

এর মধ্যেই গত ৯ আগস্ট ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইংয়ের প্রধান পরাগ জৈনের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা প্রতিনিধিদল ঢাকায় আসে। বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের আমন্ত্রণে এই সফর হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রতিনিধিদলটি বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করে।

দুই সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ওই প্রতিনিধিদলের পূর্ণাঙ্গ আলোচ্যসূচি প্রকাশ করেনি। তবে কূটনৈতিক ও গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার সম্ভাব্য দেশে ফেরার বিষয়টি, বিশেষ করে তার নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চার সদস্যের দলটি সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনের সময় ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রাথমিকভাবে আলোচনা করেছে। দলের দুই জ্যেষ্ঠ সদস্য বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। অন্য সদস্যরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেছেন বলে জানা গেছে। তবে এসব তথ্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি এবং এগুলোকে সূত্রনির্ভর মূল্যায়ন হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

তবে পরাগ জৈনের সফরটি যে সরকারি পর্যায়ের একটি কার্যক্রম ছিল, তা নিশ্চিত হয়েছে। সফরের সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত এ কে এম শামসুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেন। একই সময়ে ঢাকায় দীনেশ ত্রিবেদীও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে দীনেশ ত্রিবেদী ঢাকাভিত্তিক একজন ভারতীয় কূটনীতিককে সঙ্গে নিয়ে আবারও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে বৈঠক করলেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। ছবিঃ সংগৃহীত

একই সময়ে ভারতের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান এবং ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির শীর্ষ কূটনীতিকের উপস্থিতি দুই দেশের সম্পর্কের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও নিরাপত্তাগত দিক একসঙ্গে আলোচনায় আসার বিষয়টি সামনে এনেছে। ঘটনাগুলোকে শুধু বিচ্ছিন্ন গোয়েন্দা যোগাযোগ হিসেবে না দেখে সামগ্রিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে দেখছেন পর্যবেক্ষকেরা।

শেখ হাসিনাকে ঘিরে পরিস্থিতি এখনো জটিল। ঢাকা আনুষ্ঠানিকভাবে তার প্রত্যর্পণ চেয়েছে। অন্যদিকে ভারত জানিয়েছে, বাংলাদেশের অনুরোধ দেশটির প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হচ্ছে। ভারত থেকে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার বিষয়েও বাংলাদেশ আপত্তি জানিয়েছে। ঢাকার যুক্তি, এ ধরনের কর্মকাণ্ড দুই দেশের সম্পর্ককে আরও জটিল করতে পারে।

ভারত অবশ্য জানিয়েছে, শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভার্চুয়াল উপস্থিতির আয়োজনের সঙ্গে তাদের কোনো ভূমিকা ছিল না এবং তার রাজনৈতিক বক্তব্যকে ভারত সমর্থন করে না।

শেখ হাসিনা যদি সত্যিই দেশে ফেরেন, তাহলে বিষয়টি শুধু প্রত্যর্পণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। তার ফেরার সময়, যাতায়াতের পথ, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সীমান্ত ও বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনা, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সমন্বয় এবং সম্ভাব্য রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে একাধিক বাস্তব প্রশ্ন সামনে আসবে। নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়ে চলমান আলোচনা যদি সত্য হয়ে থাকে, তাহলে তা ইঙ্গিত করবে যে ভারত ও বাংলাদেশ শুধু প্রত্যর্পণের নীতিগত বিষয় নয়, সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনের বাস্তব দিক নিয়েও ভাবছে।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বৃহত্তর আঞ্চলিক কৌশলগত প্রেক্ষাপট। গত ৩১ জুলাই বাংলাদেশ সফরের সময় সার্জিও গোর দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠক করেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। এরপর ১১ আগস্ট অজিত দোভালের সঙ্গে গোরের বৈঠক যুক্ত হয়েছে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের এই ধারাবাহিকতায়।

গোর ও দোভালের এর আগের বৈঠকগুলোও নিরাপত্তা ও ভূরাজনৈতিক বিষয় এবং ভারত-মার্কিন কৌশলগত সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে ‘অত্যন্ত ফলপ্রসূ’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তবে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি কোনো আলোচনায় যুক্ত হয়েছে বা গোর-দোভালের বৈঠকে বাংলাদেশ নিয়ে ত্রিপক্ষীয় কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে, এমন কোনো প্রকাশ্য প্রমাণ নেই।

তবে বৈঠকগুলোর সময়কাল ও ধারাবাহিকতা থেকে বোঝা যায়, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং এর আঞ্চলিক নিরাপত্তাগত প্রভাব ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লির বৃহত্তর কৌশলগত হিসাবের অংশ হয়ে উঠতে পারে।

ভারতের জন্য পরিস্থিতিটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। একদিকে নয়াদিল্লিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন করতে হবে, অন্যদিকে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাগত সম্পর্কের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। একই সঙ্গে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তে স্থিতিশীলতা এবং বাংলাদেশের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশের জন্যও চ্যালেঞ্জ কম নয়। ঢাকা যেমন শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চায়, তেমনি ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের একটি নতুন অধ্যায় শুরু করতেও আগ্রহী। তারেক রহমানের সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠক এবং পরাগ জৈনের ঢাকা সফর দেখাচ্ছে, দুই দেশের সম্পর্ক পরিচালনায় একই সঙ্গে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা চ্যানেল সক্রিয় রয়েছে।

আগামী কয়েক সপ্তাহ তাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। নিরাপত্তা পর্যায়ের আলোচনার পর যদি আরও কূটনৈতিক বা রাজনৈতিক যোগাযোগ বাড়ে, তাহলে সেটি শুধু প্রত্যর্পণ নিয়ে আলোচনা নয়, বরং শেখ হাসিনার সম্ভাব্য দেশে ফেরাকে ঘিরে বাস্তব প্রস্তুতিরও ইঙ্গিত দিতে পারে।

এই মুহূর্তে কয়েকটি বিষয় স্পষ্ট। বাংলাদেশ শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে ভারতের ওপর চাপ অব্যাহত রেখেছে। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার সরাসরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন। ভারতের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান চার সদস্যের প্রতিনিধিদল নিয়ে ঢাকা সফর করেছেন। একই সময়ে ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লির মধ্যে কৌশলগত ও নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

সব মিলিয়ে শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ এখন আর শুধু ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বিরোধের বিষয় হিসেবে সীমাবদ্ধ নেই। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং ভারত, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত স্বার্থের বৃহত্তর সমীকরণের সঙ্গে ক্রমেই যুক্ত হয়ে পড়ছে। আগামী আগস্টের শেষ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর হলে এই সমীকরণে নতুন কোনো অগ্রগতি হয় কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

সূত্রঃ নর্থইস্ট নিউজ

এই শাখার আরও খবর

এসএসসিতে ৭ লাখ ফেল, ইংরেজি-গণিতে বড় ধাক্কা

মেলবোর্ন, ১২ আগস্ট: গত ১৯ বছরের মধ্যে এবার এসএসসি পরীক্ষায় সবচেয়ে কম পাসের হার দেখা গেছে। প্রতি তিনজন পরীক্ষার্থীর একজনের বেশি এবার উত্তীর্ণ হতে পারেনি।…

সাবেক নারী সহকর্মীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, তদন্তে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ

মেলবোর্ন, ১১ আগস্ট:  সাবেক এক নারী সহকর্মীকে নিয়ে ব্যক্তিগত ও যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কয়েকজন কর্মকর্তা ও সাবেক কর্মকর্তার…

সাভারে একটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ, বোমাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার

মেলবোর্ন, ১২ আগষ্ট- ঢাকার সাভারের দক্ষিণ শ্যামপুর এলাকায় একটি তিনতলা বাড়ি ঘিরে অভিযান চালাচ্ছে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। অভিযানে…

‘বন্দে মাতরম’ অপমানে তিন বছরের বেশি কারাদণ্ডের বিধান ভারতে

মেলবোর্ন, ১১ আগস্ট: ভারতে ‘বন্দে মাতরম’ গানকে অপমান বা এর পরিবেশনায় ইচ্ছাকৃত ভাবে বাধা দেওয়াকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট দ্রৌপদী…

দুই দিনের ঢাকা সফর শেষে মোদির সঙ্গে বৈঠকে দীনেশ ত্রিবেদী

মেলবোর্ন, ১২ আগষ্ট- ঢাকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকের পর দিল্লি গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন…

ইরানি হামলার আশঙ্কায় খাবারের গাড়িতে গোপনে বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প

মেলবোর্ন, ১২ আগস্ট: ইরানের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলন শেষে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার সময় গোপনে বিমান পরিবর্তন করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদ মাধ্যম…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au