মুর্শিদাবাদে চার শিশুকে হাঁসুয়া দিয়ে কোপ, নিহত ৩, সংকটাপন্ন ১
মেলবোর্ন, ১৫ আগষ্ট- পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার সুতিতে চার শিশুর ওপর ধারালো হাঁসুয়া নিয়ে হামলার ঘটনায় তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় আরও এক শিশু…
মেলবোর্ন, ১৪ আগষ্ট: পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে চলমান নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনরত আটজন হাইওয়ে পুলিশ সদস্যকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। নিষিদ্ধ সংগঠন জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির (জেএএসি) সদস্যরা ওই পুলিশ সদস্যদের ধরে নিয়ে নিজেদের হেফাজতে রেখেছে বলে জানিয়েছে আজাদ কাশ্মীর পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে আজাদ কাশ্মীর পুলিশের মুখপাত্র খাওয়ার আলী শওকত এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত নিরাপত্তাকর্মীদের ওপর হামলা চালানোর পাশাপাশি আটজন হাইওয়ে পুলিশ সদস্যকে অপহরণ করেছে জেএএসি।
পুলিশের অভিযোগ, অপহরণের পর ওই পুলিশ সদস্যদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের পরিবারের সদস্যদেরও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
খাওয়ার আলী শওকত বলেন, সহিংসতা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাষ্ট্রের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করার কোনো সুযোগ নেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ক্ষতি করা হলে কিংবা তাদের পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেওয়া অব্যাহত থাকলে রাষ্ট্র কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
তিনি সাধারণ মানুষকেও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ সংগঠনটির প্রভাব থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের দূরে থাকার পরামর্শ দেন তিনি।
আজাদ কাশ্মীর পুলিশের মুখপাত্র বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো থেকে স্পষ্ট যে জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি কোনো শান্তিপূর্ণ সংগঠন নয়। বরং সহিংসতার মাধ্যমে সংগঠনটি রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করছে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
খাওয়ার আলী শওকত বলেন, পাকিস্তান রাষ্ট্র কখনো দুর্বল ছিল না এবং এখনো নয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাষ্ট্র সব সময় সংযম দেখিয়েছে। তবে অধিকার আদায়ের নামে সহিংসতা চালানো বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা করার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।
স্থানীয় জনগণকে জেএএসি থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ওই অঞ্চলের মানুষ নির্বাচনে অংশ নিয়ে ইতোমধ্যেই বুঝিয়ে দিয়েছেন যে নিষিদ্ধ সংগঠনটির সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।
পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত কয়েক দিন ধরেই রাজনৈতিক উত্তেজনা ও বিক্ষোভ চলছে। বিশেষ করে ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর থেকে আসা শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত আসন নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এর মধ্যেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া চলাকালে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আট পুলিশ সদস্যকে অপহরণের অভিযোগ নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। ঘটনাটি নির্বাচনী নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অপহৃত সদস্যদের নিরাপত্তা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে নির্বাচনী পরিবেশ শান্ত রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au