নীরব সেল, পলাতক জঙ্গি ও নতুন আতঙ্ক: বাংলাদেশ আবার জঙ্গিবাদের ঝুঁকিতে
OTN বাংলা বিশেষ প্রতিবেদন: বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েক মাসের ব্যবধানে বোমা, বিস্ফোরক এবং বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধারের একাধিক ঘটনা সামনে…
এরপর তাঁরা একটি গুলির শব্দ শুনতে পান। দ্রুত সেখানে গিয়ে দেখেন, ড্যালি ৯ মিলিমিটার পিস্তল দিয়ে বাসিলের মুখে গুলি করেছেন। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় শিশুটি।
পুলিশের হলফনামা অনুযায়ী, ড্যালি নিজের ছেলেকে অপহরণ করেছিলেন। এর কারণ হিসেবে তিনি পুলিশকে জানান, তাঁর আট মাস বয়সী সন্তানকে মাসে দুবার নেব্রাস্কা ও ওয়াইওমিংয়ের মধ্যে যাতায়াত করতে দিতে চাননি।
পুলিশের নথিতে বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তাঁর দিকে এগিয়ে আসতে দেখে কী মনে হয়েছিল, জানতে চাইলে ড্যালি বলেন, ‘জেক বাসিলকে নিয়ে যেতে পারবে না।’
ড্যালি আরও দাবি করেন, তিনি বাসিলকে নিয়ে ট্রেলার থেকে বের হলে শিশুটি বিপদের মুখে পড়ত এবং যৌন নির্যাতনের শিকার হতে পারত। তবে তাঁর এসব দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ম্যাডেলিন ড্যালি বুধবার হত্যার দায় স্বীকার করে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আবেদন করেছেন। ছবি: ৬ষ্ঠ জুডিশিয়াল ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়

ড্যালি বলেন, সন্তানের বাবা যাতে তাঁর ছেলের হেফাজত না পান, সে জন্যই তিনি ছেলেকে গুলি করেছিলেন। ছবি: ওয়াশাকি কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়।
পুলিশের নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ড্যালির দাবি ছিল, বাসিলের বাবা কখনোই ছেলেটির সঙ্গে আর্থিক, শারীরিক বা আবেগগত কোনো সম্পর্ক রাখতে চাননি।
বুধবার ড্যালি প্রথম ডিগ্রির হত্যার অভিযোগে নিজের দোষ স্বীকার করেছেন।
প্রসিকিউটররা জানিয়েছেন, এই অপরাধে ড্যালির সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।
সূত্র- নিউজ.কম.এইউ
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au