জলাধারে রহস্যময় ভাসমান দ্বীপ, কয়েক দিন পরই উধাও
কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় একটি জলাধারে হঠাৎ দেখা মিলেছিল গাছপালায় ভরা একটি বিশাল ভাসমান দ্বীপের। কিন্তু যেভাবে রহস্যজনকভাবে দ্বীপটির আবির্ভাব হয়েছিল, কয়েক দিনের মধ্যেই সেটি আবার…
নাটোরে আনারুল ইসলাম (৬০) নামে এক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার পর তার মরদেহ চেম্বারের পাশের সড়কে ফেলে রেখে যায় তারা। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে নাটোর সদর উপজেলার চাঁদপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আনারুল ইসলাম রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার কাফুরিয়া ইউনিয়নের দাসমারিয়া গ্রামের মৃত আজাহার আলীর ছেলে। তিনি পেশায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ছিলেন। নাটোর-পুঠিয়া উপজেলা সীমান্তের নাটোর অংশের চাঁদপুর বাজারে তার একটি হোমিও চিকিৎসালয় ছিল। সেখানে বসেই স্থানীয়দের চিকিৎসা দিতেন তিনি।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার রাত ৮টার দিকে চিকিৎসালয়ের পাশের পাকা সড়কে আনারুলকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তাকে উদ্ধার করে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক ডা. মইনুল হক বলেন, হাসপাতালে আনার সময়ই আনারুল ইসলাম মারা গিয়েছিলেন। তার মাথা, বুক, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের একাধিক চিহ্ন পাওয়া গেছে। হাসপাতালে আনার সময় তাকে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বলে জানানো হলেও পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ধরা পড়ে। ধারালো অস্ত্রের আঘাত ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
কাফুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জানান, আনারুলকে হত্যার পর দুর্বৃত্তরা তার মরদেহ সড়কে ফেলে রেখে গেছে বলে তিনি শুনেছেন। কারও সঙ্গে তার বিরোধ ছিল বলেও তিনি জানেন না। তবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কারা জড়িত, সে বিষয়ে তিনি কোনো তথ্য দিতে পারেননি।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। এরই মধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au