নিজ বাসায় ঝুলছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালকের মরদেহ
চট্টগ্রামের হালিশহরে নিজ বাসা থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ ছায়েদুর রহমানের (৫৫) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে উত্তর…
কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় একটি জলাধারে হঠাৎ দেখা মিলেছিল গাছপালায় ভরা একটি বিশাল ভাসমান দ্বীপের। কিন্তু যেভাবে রহস্যজনকভাবে দ্বীপটির আবির্ভাব হয়েছিল, কয়েক দিনের মধ্যেই সেটি আবার উধাও হয়ে যায়।
দ্বীপটির আয়তন আনুমানিক ১ লাখ ৫ হাজার বর্গফুট বা তারও কিছু বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। আয়তনে এটি প্রায় একটি ফুটবল মাঠের সমান।
স্থানীয় বাসিন্দারা গত আগস্টের শুরুতে ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার ম্যাকেঞ্জি শহরের উত্তরে অবস্থিত উইলিস্টন জলাধারে গাছপালায় ঢাকা ওই দ্বীপটি দেখতে পান। পরে তারা বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দ্বীপটির ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়।
প্রথমে বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ ছিল কর্তৃপক্ষের। ব্রিটিশ কলাম্বিয়া হাইড্রোর মুখপাত্র বব গ্যামার বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে এখন সহজেই ভুয়া ছবি ও ভিডিও তৈরি করা যায়। তাই শুরুতে খবরটির সত্যতা নিয়ে সন্দেহ ছিল।
তবে স্যাটেলাইটের ছবি পরীক্ষা করে কর্মকর্তারা নিশ্চিত হন, দ্বীপটি সত্যিই সেখানে ছিল। গত ২০ জুলাইয়ের স্যাটেলাইট ছবিতে ভাসমান দ্বীপটির অস্তিত্ব পাওয়া যায়।
কিন্তু রহস্য আরও ঘনীভূত হয় কয়েক দিন পর। ৫ আগস্ট থেকে স্যাটেলাইটের কোনো ছবিতেই দ্বীপটির দেখা পাওয়া যায়নি।
বব গ্যামার বলেন, আরও হালনাগাদ স্যাটেলাইট ছবি সংগ্রহ করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত জলাধারে দ্বীপটিকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
তবে তাঁর ধারণা, দ্বীপটি পানির নিচে ডুবে যায়নি। বরং ভেসে গিয়ে জলাধারের তীরের কাছাকাছি কোনো নিরাপদ স্থানে আটকে থাকতে পারে।
কীভাবে এমন একটি দ্বীপ তৈরি হলো, তারও সম্ভাব্য ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, কয়েক বছর ধরে জলাধারের তীরে ভাসমান কাঠ ও গাছের অংশ জমে একটি বড় স্তূপ তৈরি হতে পারে। সময়ের সঙ্গে পচতে থাকা সেই কাঠের স্তূপে গাছপালা জন্মে এবং শিকড় ছড়িয়ে একটি ভাসমান ভূখণ্ডের সৃষ্টি হয়।
পরে জলাধারের পানি বেড়ে গেলে সেটি তীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ভাসতে শুরু করে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে এত বড় একটি ভাসমান দ্বীপ কোথায় গেল, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। স্যাটেলাইটের নতুন ছবি বিশ্লেষণ করে রহস্যের সমাধানের চেষ্টা চলছে।
সূত্র: সিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au