অস্ট্রেলিয়া

ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া ব্যক্তিদের আটক করবে অস্ট্রেলিয়া, তবে…

নজরে ৭৭ হাজার ভিসা অতিরিক্ত অবস্থানকারী

  • 6:28 am - September 18, 2026
  • পঠিত হয়েছে:২১ বার
ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া ব্যক্তিদের আটক করবে অস্ট্রেলিয়া। ছবিঃ সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ায় ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও অবস্থানরত প্রায় ৭৭ হাজার মানুষকে দেশে ফেরাতে সীমান্ত বাহিনীর ১০০ সদস্যের একটি বিশেষ দল গঠন করা হচ্ছে। তবে এ উদ্যোগের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট বা আইসিইর মতো ধরপাকড় অভিযান চালানো হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক।

গতকাল ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে দেওয়া বক্তব্যে টনি বার্ক বলেন, অস্ট্রেলিয়ায় কয়েক হাজার মানুষ ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দেশটিতে অবস্থান করছেন। এর একটি কারণ হলো, তাদের অনেককে আটক করা হচ্ছে না। ফলে দেশ ছেড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের ওপর তেমন কোনো চাপও থাকছে না।

সরকারের নতুন পরিকল্পনার আওতায় ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া ব্যক্তিদের আটক করে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ২৫০টি শয্যার ব্যবস্থা করা হবে। এ জন্য মেলবোর্নের সাবেক কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্রের মতো কিছু ভবনকে আটককেন্দ্র হিসেবে পুনর্ব্যবহারের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

টনি বার্ক বলেন, কাউকে আটক করা হতে পারে অথবা নিজ উদ্যোগে দেশ ছাড়তে হবে, এমন পরিস্থিতিতে অধিকাংশ ভিসা অতিরিক্ত সময় অবস্থানকারী ব্যক্তি স্বেচ্ছায় অস্ট্রেলিয়া ছাড়ার পথ বেছে নেবেন বলে সরকার মনে করছে।

তিনি বলেন, ২০১৫ সালের আগে অস্ট্রেলিয়ায় ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে নিয়মিত একটি প্রক্রিয়া চালু ছিল। কারও ভিসার মেয়াদ শেষ হলে তাকে আটককেন্দ্রে নেওয়া হতো এবং কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অনেকেই নিজেরাই দেশে ফেরার বিমানের ব্যবস্থা করে অস্ট্রেলিয়া ছাড়তেন।

বার্কের ভাষ্য, এ ব্যবস্থার প্রভাব শুধু আটক ব্যক্তিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। অন্য যারা ভিসার মেয়াদ পার করে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছিলেন, তাদের মধ্যেও দেশ ছেড়ে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হতো।

তিনি বলেন, সরকার মূলত ২০১৫ সালের আগের সেই ব্যবস্থার একটি অংশে ফিরে যেতে চায়, যাতে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কেউ এমনটা মনে করতে না পারেন যে তার অস্ট্রেলিয়ায় থেকে যাওয়ার কোনো পরিণতি হবে না।

তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই কার্যক্রম যুক্তরাষ্ট্রে টেলিভিশনে দেখা আইসিইর ধরনের অভিযান হবে না।

অস্ট্রেলিয়ার গ্রিনস পার্টি অবশ্য সরকারের এই উদ্যোগের সমালোচনা করেছে। দলটির সিনেটর ডেভিড শুব্রিজ দাবি করেন, অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন আটককেন্দ্রের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবটের সময়কার অভিবাসন নীতির পুনরাবৃত্তি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন আটককেন্দ্রে এরই মধ্যে যেসব অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে, সেখানে ব্যবহৃত একই মার্কিন বেসরকারি কারা পরিচালনাকারী বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানকে নতুন আটককেন্দ্র পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তবে মাইগ্রেশন ইনস্টিটিউট অব অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী পিটার ভ্যান ভ্লিয়েট বলেন, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া ব্যক্তিদের আটক করতে বর্ডার ফোর্সকে অতিরিক্ত জনবল ও সম্পদ দেওয়ার পরিকল্পনাকে আইসিইর ধরনের অভিযানের সঙ্গে তুলনা করা অতিরঞ্জিত।

তার মতে, ২০১৫ সালের আগেও অস্ট্রেলিয়ায় এ ধরনের ব্যবস্থা ছিল এবং সেটি ছিল তুলনামূলকভাবে সীমিত ও লক্ষ্যভিত্তিক একটি প্রক্রিয়া। তার ভাষ্য, পরবর্তী সময়ে সেই ব্যবস্থা কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।

অপরাধীদের ভিসা বাতিলের পর আটককেন্দ্রে চাপ

ভ্যান ভ্লিয়েটের মতে, ২০১৫ সালের পর অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন আটককেন্দ্রগুলোতে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া ব্যক্তিদের রাখার সক্ষমতা কমে যায়। এর পেছনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবটের সরকারের সময় পাস হওয়া এমন আইনও ভূমিকা রেখেছে, যার আওতায় নির্দিষ্ট কিছু অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তিদের ভিসা বাধ্যতামূলকভাবে বাতিল করার ব্যবস্থা করা হয়।

অপরাধে দণ্ডিত এসব ব্যক্তি কারাদণ্ড ভোগের পর তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি আপিল করতে থাকেন। অনেক ক্ষেত্রে এসব আইনি প্রক্রিয়া কয়েক বছর পর্যন্ত চলতে পারে। ফলে তারা দীর্ঘ সময় অভিবাসন আটককেন্দ্রেই থেকে যান।

ভ্যান ভ্লিয়েট বলেন, অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তিদের সংখ্যা বাড়তে থাকায় আটককেন্দ্রগুলোতে জায়গার সংকট তৈরি হয়। একই স্থানে সহিংস অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তিদের সঙ্গে অপরাধে জড়িত নন এমন ভিসা অতিরিক্ত সময় অবস্থানকারীদের রাখার ক্ষেত্রে নিরাপত্তাজনিত সমস্যাও দেখা দেয়।

তার ভাষ্য, এর ফলে অস্ট্রেলিয়ার আটককেন্দ্রগুলোর বড় অংশ অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তিদের দখলে চলে যায় এবং ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া ব্যক্তিদের রাখার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা আর অবশিষ্ট থাকেনি।

সাম্প্রতিক হোম অ্যাফেয়ার্স মাইগ্রেশন ট্রেন্ডস প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে অস্ট্রেলিয়া থেকে ৬ হাজার ৬৪৬ জনকে ফেরত পাঠানো বা দেশত্যাগে সহায়তা করা হয়েছে। এদের প্রায় অর্ধেক স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেছেন এবং বাকি প্রায় অর্ধেককে আটক করার পর ফেরত পাঠানো হয়েছে।

ফেরত যাওয়া ব্যক্তিদের এক-তৃতীয়াংশের কিছু বেশি পর্যটক ভিসায় অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। প্রায় ২০ শতাংশ এসেছিলেন শিক্ষার্থী ভিসায়।

অন্যদিকে, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানকারীর সংখ্যা ২০১৬ সালের প্রায় ৬৪ হাজার থেকে ধীরে ধীরে বেড়ে বর্তমানে ৭৭ হাজারের বেশি হয়েছে।

টনি বার্ক বলেন, অতিরিক্ত জনবল এবং ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া ব্যক্তিদের জন্য পৃথক আটক সুবিধা চালুর ফলে সরকার তাদের আটক করার সক্ষমতা ফিরে পাবে। একই সঙ্গে অন্যদেরও স্বেচ্ছায় অস্ট্রেলিয়া ছাড়তে উৎসাহিত করা যাবে।

তবে সাবেক ইমিগ্রেশন বিভাগের উপসচিব আবুল রিজভী মনে করেন, নতুন ঘোষণার ভিত্তিতে একসঙ্গে ৭৭ হাজার ভিসা অতিরিক্ত সময় অবস্থানকারীকে ফেরত পাঠানো সম্ভব হবে না। তবে তার ধারণা, নতুন ব্যবস্থা বছরে আরও ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার মানুষের দেশত্যাগ নিশ্চিত করতে বা তাদের দেশ ছাড়তে উৎসাহিত করতে পারে।

তিনি ২০১৫ সালের আগের ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়াকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করেন এবং ২০১৫ সালের পর ভিসা অতিরিক্ত সময় অবস্থানকারীদের বিষয়ে আইন প্রয়োগ ও নজরদারি কমে যাওয়াকে একটি ভুল হিসেবে বর্ণনা করেন।

রিজভী বলেন, ২০১৫ সালের আগের অভিযানগুলো যুক্তরাষ্ট্রের আইসিইর কার্যক্রমের মতো ছিল না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তখন কর্মকর্তারা সাধারণ পোশাকে বা শার্ট-টাই পরে, নামের ব্যাজ ব্যবহার করে এবং অস্ত্র ছাড়াই যেতেন। কোনো কর্মস্থলে প্রবেশের ক্ষেত্রেও সাধারণত আমন্ত্রণ অথবা আদালতের অনুমতিপত্র প্রয়োজন হতো।

ভ্যান ভ্লিয়েটও বলেন, অস্ট্রেলিয়ার নতুন কার্যক্রমকে রাস্তায় দলবদ্ধভাবে মানুষ ধরার ধরনের অভিযান হিসেবে দেখা উচিত নয়। তার মতে, কয়েকজন কর্মকর্তা কোনো ব্যক্তির কাছে গিয়ে জানাতে পারেন যে তার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে এবং তাকে হয় দেশে ফেরার ব্যবস্থা করতে হবে, অথবা আটক হওয়ার মুখোমুখি হতে হবে।

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এ ধরনের অভিবাসন আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে মানবাধিকার অবশ্যই রক্ষা করতে হবে।

শ্রমিকদের ওপর প্রভাব নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনের উদ্বেগ

সরকারের পরিকল্পনা নিয়ে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হিউম্যান রাইটস ল’ সেন্টার দাবি করেছে, নতুন ব্যবস্থা কর্মক্ষেত্রে শোষণের শিকার হওয়া অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

সংস্থাটির আইনবিষয়ক পরিচালক সানমতি ভার্মা বলেন, নথিপত্রহীন অভিবাসী শ্রমিকরা কর্মক্ষেত্রে শোষণের শিকার হলে তাদের নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকা প্রয়োজন। কিন্তু অভিবাসন আটককেন্দ্রের ওপর আরও জোর দিলে এসব শ্রমিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে ভয় পেতে পারেন।

সংস্থাটি অভিবাসন আটক ব্যবস্থার সম্প্রসারণের পরিবর্তে অভিবাসী শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও কর্মক্ষেত্রে মর্যাদা নিশ্চিত করতে সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে।

ভিসা অতিরিক্ত সময় অবস্থানকারীরাই নেট অভিবাসনের প্রধান কারণ নয়

অস্ট্রেলিয়ায় নেট বিদেশি অভিবাসন বা নেট ওভারসিজ মাইগ্রেশন কমছে। ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত এক বছরে দেশটিতে নেট আগমন ছিল ২ লাখ ৯২ হাজার। তবে এই সংখ্যা ২০২৮ সালের মধ্যে ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনার কেন্দ্রীয় সরকারের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এখনও বেশি।

টনি বার্ক বলেছেন, সরকারের ওই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা তার হাতে রয়েছে এবং নতুন ঘোষিত উদ্যোগ ছাড়াও লক্ষ্যটি পূরণ করা সম্ভব হবে।

তবে তার মতে, নতুন ব্যবস্থাগুলো চালু হলে অস্ট্রেলিয়ায় কারা আসছেন এবং কারা দেশ ছাড়ছেন, সেই প্রবাহকে আরও নির্দিষ্টভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। এর ফলে অভিবাসন কমানোর কারণে অর্থনীতিতে সম্ভাব্য চাপও সীমিত রাখা যাবে।

অস্ট্রেলিয়ায় বর্তমানে বৈধ ভিসা ছাড়া অবস্থানকারী মানুষের সংখ্যা প্রায় ৭৭ হাজার হলেও নেট অভিবাসনের ক্ষেত্রে আরও বড় একটি গোষ্ঠী হলো ব্রিজিং ভিসায় থাকা ব্যক্তিরা। এসব ভিসা সাধারণত কাউকে অস্ট্রেলিয়ায় বৈধভাবে অবস্থান করার সুযোগ দেয়, যখন তার নতুন ভিসার আবেদন বা কোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা আপিল নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকে।

গত তিন বছরে ব্রিজিং ভিসায় থাকা মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ৭৬ হাজার থেকে বেড়ে বর্তমানে ২ লাখের বেশি হয়েছে। এদের মধ্যে অনেকেই আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, যারা নতুন ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করছেন।

টনি বার্ক বলেন, সরকার তথাকথিত ‘ভিসা হপিং’ বন্ধ করতে চায়। এর মাধ্যমে কেউ ভিসা ব্যবস্থা ও আপিল প্রক্রিয়ার সুযোগ ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ সময় অস্ট্রেলিয়ায় থাকার চেষ্টা করলে তা ঠেকানো হবে।

এর অংশ হিসেবে পর্যটক ভিসায় অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশের পর নতুন ভিসার আবেদন করে অবস্থান দীর্ঘায়িত করার সুযোগ সীমিত করতে ‘নো ফারদার স্টেইজ’ বিধান কার্যকর করার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা নতুন স্টাডি ভিসার আবেদন করার সময় তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা আরও এগিয়ে নিতে হবে। নিম্নমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এক কোর্স থেকে আরেক কোর্সে স্থানান্তরের মাধ্যমে শুধু অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানের মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগও বন্ধ করার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

টনি বার্ক আরও বলেন, অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান দীর্ঘায়িত করার উদ্দেশ্যে ‘অসৎ’ বা যথার্থ ভিত্তিহীন আশ্রয় আবেদন করার প্রবণতা ঠেকাতে আইন পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে। এ বিষয়ে নতুন আইন প্রণয়নের আগে বিরোধী কোয়ালিশনের সমর্থন পাওয়ার জন্য সরকার আলোচনা চালাতে চায় বলেও জানান তিনি।

সূত্রঃ এবিসি নিউজ

এই শাখার আরও খবর

গণেশ বিসর্জন শোভাযাত্রায় ‘বোমা মেরে হত্যার’ হুমকির অভিযোগ, দুই যুবক আটক

ভারতের তামিলনাড়ুর শ্রীভিল্লিপুথুরে গণেশ বিসর্জন শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া হিন্দুদের বোমা হামলার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুই মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) হিন্দু মুন্নানির আয়োজিত…

দিন শেষ ভাগে মোদীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও এক্সে দেওয়া এক বার্তায়…

‘তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও ‘জোড়া ফুল’ প্রতীক ফ্রিজ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন

পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে বড় ধরনের সাংগঠনিক ও নির্বাচনী সংকটে পড়েছে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। দলের নাম, সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ এবং সংরক্ষিত নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে মমতা…

শেষ মুহূর্তে স্থগিত শেখ হাসিনার দিল্লি বৈঠক, নতুন পরিকল্পনা কী?

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার ১৮ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় বৈঠক শেষ মুহূর্তে স্থগিত করা হয়েছে।…

‘শেখ হাসিনা ফিরলে পুলিশ কিছুই করতে পারবে না’, অডিও ছড়ানো ওসি প্রত্যাহার

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে পুলিশ কিছুই করতে পারবে না, এমন বক্তব্যের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ক্যান্টনমেন্ট…

আসিফ মাহমুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করবে দুদক

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অর্থপাচার, সরকারি পদে নিয়োগ ও পদায়নে অর্থ লেনদেন এবং…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au