২০ সেপ্টেম্বর ‘ঢাকা লকডাউন’, শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের কাউন্টডাউন শুরু
রাজধানী ঢাকায় আগামীকাল রোববার ‘লকডাউন’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে আওয়ামী লীগ ও দলটির সহযোগী সংগঠন যুবলীগ। আগামী ২০ সেপ্টেম্বর দিনব্যাপী এ কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।…
রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে নতুন নিষেধাজ্ঞা আইনে স্বাক্ষর করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার স্বাক্ষরের পর ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাঙ্কশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ আইনে পরিণত হয়েছে। এর আওতায় রাশিয়ার তেল ও গ্যাসের বড় ক্রেতা দেশগুলোর পণ্যে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ক্ষমতা পেয়েছেন ট্রাম্প।
নতুন আইনের আওতায় ভারত ও চীনের মতো রাশিয়ার জ্বালানি ক্রেতা দেশগুলো মার্কিন শুল্কের ঝুঁকিতে রয়েছে। তবে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের অর্থ এই নয় যে এসব দেশের পণ্যে সঙ্গে সঙ্গে ১০০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হয়ে গেছে। আইনটি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ ওই হারে শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দিয়েছে।
আইনে রাশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি করা পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিধান রাখা হয়েছে। এর পাশাপাশি রাশিয়ার কর্মকর্তা, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ব্যবহৃত তেল পরিবহন নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য রাশিয়ার জ্বালানি ও অন্যান্য খাত থেকে আয় কমানো এবং ইউক্রেন যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য মস্কোর অর্থনৈতিক সক্ষমতা দুর্বল করা।
রাশিয়ার অপরিশোধিত তেলের বড় ক্রেতা হওয়ায় ভারত এই আইনের আওতায় বিশেষভাবে নজরে রয়েছে। আইন অনুযায়ী, রাশিয়ার তেল ও গ্যাসের শীর্ষ পাঁচ ক্রেতা দেশের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করতে পারবেন ট্রাম্প। ভারতের পাশাপাশি চীনও এই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
তবে শুল্ক আরোপ করবেন কি না এবং করলে কত হারে করবেন, সেটি ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। ফলে এখনই ভারতীয় পণ্যে ১০০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হয়েছে বলা ঠিক হবে না।
বিলটি গত আগস্টে মার্কিন সিনেটে ৮৬-১১ ভোটে পাস হয়। এরপর ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিনিধি পরিষদে ২৬২-১৫৯ ভোটে অনুমোদিত হয়। শুক্রবার ট্রাম্প এতে স্বাক্ষর করার পর এটি আইনে পরিণত হয়।
আইনটির নামকরণ করা হয়েছে প্রয়াত রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে ও. গ্রাহামের নামে। এতে রাশিয়ার পাশাপাশি ইরানের ওপর বিদ্যমান কিছু নিষেধাজ্ঞাও বাড়ানো হয়েছে।
রাশিয়ার জ্বালানি কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে ভারত ও চীন ছাড়াও তুরস্ক, আজারবাইজান, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া এবং আরও কয়েকটি দেশ মার্কিন শুল্কের সম্ভাব্য লক্ষ্য হতে পারে। তবে কোন দেশকে লক্ষ্য করে শুল্ক আরোপ করা হবে, তা এখনো ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তের বিষয়।
ভারতের ওপর সর্বোচ্চ শুল্ক আরোপ করা হলে দেশটির যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা পণ্যের দাম বাড়তে পারে। এতে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অন্যদিকে ভারত দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনার বিষয়টি তাদের জ্বালানি নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত। ফলে নতুন মার্কিন আইনের পর নয়াদিল্লির ওপর রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা কমানোর চাপ আরও বাড়তে পারে।
তবে এখন পর্যন্ত ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হয়নি। ট্রাম্প প্রশাসন পরবর্তী সময়ে এই ক্ষমতা ব্যবহার করে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটিই এখন মূল বিষয়।
সূত্র:আনন্দবাজার.কম
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au