নয়টি গুলিতে আহত হওয়ার দাবি ভুয়া,হাসিনাসহ ৮৪ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ
জুলাই আন্দোলনের সময় শরীরে নয়টি গুলি লেগে আহত হওয়ার দাবি করে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৭৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন নূর হোসেন নামের এক যুবক।…
ওটিএন বাংলা রিপোর্ট: এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর অনেক শিক্ষার্থীর ঘরে নেমে এসেছে হতাশা। প্রত্যাশিত ফল না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন অনেকে। কেউ এক বিষয়ে, কেউ একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন।
এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে প্রায় ছয় লাখ শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। এর মধ্যে শুধু ইংরেজি বিষয়েই ফেল করেছেন প্রায় আড়াই লাখ। সামগ্রিক ফল বিপর্যয়ে সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে ইংরেজি ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত বিষয়ভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণে এ চিত্র পাওয়া গেছে। এতে দেখা যায়, ইংরেজি ও আইসিটি—এই দুই বিষয়েই অকৃতকার্য হয়েছেন ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন শিক্ষার্থী।
এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। ফেল করেছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন। অর্থাৎ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেননি।
ইংরেজিতে সবচেয়ে বেশি অকৃতকার্য
বিষয়ভিত্তিক হিসাবে ইংরেজিতে ফেল করেছেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন। আর আইসিটিতে অকৃতকার্য হয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৩ জন। দুই বিষয়ে মোট অকৃতকার্যের সংখ্যা ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১। ফলে সামগ্রিক ফলাফলে এই দুই বিষয়ের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
ইংরেজিতে এত বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা, শ্রেণিকক্ষে পাঠদান এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে।
অন্যদিকে আইসিটিতে ব্যর্থতার সংখ্যাও উদ্বেগজনক। প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার সময়ে এ বিষয়ে এত শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতা সামনে এনেছে।
২১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার
এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। ২০০৪ সালের পর এটি সর্বনিম্ন।
২০০৪ সালে পাসের হার ছিল ৪৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এরপর দীর্ঘ ২১ বছরে পাসের হার আর এত নিচে নামেনি।
প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ায় অনেক শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষায় ভর্তির প্রস্তুতিও বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের সামনে এখন নতুন করে প্রস্তুতি নেওয়ার চ্যালেঞ্জ। ফল বিপর্যয়ের কারণ চিহ্নিত করে পাঠদান ও মূল্যায়ন পদ্ধতির দুর্বলতা দূর করার দাবি উঠছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au