বার্সেলোনার বড় ধাক্কা, এক মাস মাঠের বাইরে রদ্রি
চোটের কারণে প্রায় এক মাসের জন্য মাঠের বাইরে ছিটকে যেতে পারেন বার্সেলোনার স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রি। ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ম্যাচে তাঁকে পাচ্ছে…
জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ছয়টি কার্যকর পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা গেলে বছরে প্রায় ১৬ লাখ মানুষের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব। একই সঙ্গে কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে কয়েক ট্রিলিয়ন ডলারের আর্থিক সুফল পাওয়া যেতে পারে। এমন তথ্য উঠে এসেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) এক প্রতিবেদনে।
বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে ছয়টি পদক্ষেপের সুপারিশ করেছে জাতিসংঘের স্বাস্থ্যবিষয়ক সংস্থাটি। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে শুরু হতে যাওয়া কপ-৩১ জলবায়ু সম্মেলন সামনে রেখে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে।
ডব্লিউএইচওর সুপারিশের মধ্যে রয়েছে, তাপপ্রবাহের ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম স্বাস্থ্য সতর্কতা ব্যবস্থা চালু, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সক্ষম করে পানীয় জল ও পয়োনিষ্কাশন অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং মানুষের মধ্যে হাত পরিষ্কারের অভ্যাস বাড়ানো। পাশাপাশি বাসাবাড়িতে পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এবং জীবাশ্ম জ্বালানির মূল্য নির্ধারণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।
জেনেভা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রিয়াসুস এক বিবৃতিতে বলেন, ‘জলবায়ু সংকট মানেই স্বাস্থ্য সংকট। তবে এর কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির বড় অংশই আমাদের হাতে থাকা উপায় ব্যবহার করে প্রতিরোধ করা সম্ভব।’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত ছয়টি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা গেলে একসঙ্গে তিন ধরনের সুফল পাওয়া সম্ভব। এগুলো হলো মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করা।
ডব্লিউএইচওর হিসাব অনুযায়ী, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে বছরে প্রায় ১৬ লাখ ৭০ হাজার কোটি টন নয়, বরং ১৬ দশমিক ৭ বিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ এড়ানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে বছরে সর্বোচ্চ ৫ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলারের রাজস্ব সুবিধা পাওয়া যেতে পারে।
এ ছাড়া মানুষের প্রাণহানি রোধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমানো এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে ব্যয় সাশ্রয়ের মাধ্যমে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রায় ৪ ট্রিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত সুফল আসতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ডব্লিউএইচও স্বীকার করেছে, গবেষণাটি কিছু উচ্চাভিলাষী পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। তথ্যের ঘাটতি এবং ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নির্ধারণে কিছু অনিশ্চয়তাও রয়েছে।
তারপরও টেড্রোসের মতে, প্রতিবেদনটি দেখিয়েছে যে পরীক্ষিত ও তুলনামূলক সাশ্রয়ী পদক্ষেপগুলো ব্যাপকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে লাখ লাখ মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব। বিশেষ করে যেসব দেশ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে সবচেয়ে বেশি রয়েছে, এসব উদ্যোগ থেকে তারাই সবচেয়ে বেশি উপকৃত হতে পারে।
আগামী সপ্তাহে তুরস্কে অনুষ্ঠেয় কপ-৩১ জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে বিশ্বনেতাদের প্রস্তুতির মধ্যে টেড্রোস তাঁদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গৃহীত সব উদ্যোগের কেন্দ্রে যেন জনস্বাস্থ্য সুরক্ষাকে রাখা হয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au