জলবায়ু ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ৬ পদক্ষেপ, বছরে বাঁচতে পারে ১৬ লাখ প্রাণ
জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ছয়টি কার্যকর পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা গেলে বছরে প্রায় ১৬ লাখ মানুষের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব। একই সঙ্গে কার্বন…
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বড় ধরনের পরাজয়ের পেছনে ইরান যুদ্ধকে দায়ী করেছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তাঁর দাবি, যুদ্ধ নিয়ে হতাশা ও ক্ষোভের কারণে ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোট দেওয়া অনেক সমর্থক এবার ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে ভ্যান্স বলেন, ‘আমাদের পরাজয়ের কারণ হলো যুদ্ধ। প্রেসিডেন্ট নিজেই গত রাতে এমনটি বলেছেন।’
ভ্যান্সের ভাষ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও জনমত জরিপে দেখা গেছে, রিপাবলিকান সমর্থকদের একটি বড় অংশ এবারও ভোট দিতে কেন্দ্রে গিয়েছিলেন। কিছু অঙ্গরাজ্যে ভোটার উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য। তবে নির্বাচনের ফল পাল্টে দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে ট্রাম্পের আগের সমর্থকদের একটি অংশের রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প-ভ্যান্স জুটিকে ভোট দেওয়া অনেকেই ইরান যুদ্ধের ওপর ক্ষুব্ধ ও হতাশ হয়ে ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের ভোট দিয়েছেন।
ভবিষ্যতে দলের রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণের প্রসঙ্গে ভ্যান্স বলেন, কেন রিপাবলিকানরা পরাজিত হয়েছেন, তা সবারই জানা। তাই পরবর্তী রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে যেকোনো সৎ ও গঠনমূলক আলোচনা যুদ্ধের বিষয়টি দিয়েই শুরু করতে হবে।
যুদ্ধের পক্ষে অবস্থান নেওয়া ব্যক্তিদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, আগামী ছয় বছরের জন্য সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারানো যদি এই যুদ্ধের গ্রহণযোগ্য মূল্য বলে কেউ মনে করেন, তাহলে তাঁদের উচিত সেই যুক্তি খোলাখুলিভাবে তুলে ধরা।
ভ্যান্স তাঁর পোস্টে জরিপ ও উপদেষ্টাদের দেওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে ট্রাম্পের সমর্থকদের ডেমোক্র্যাটদের দিকে ঝুঁকে পড়ার পেছনে চারটি কারণ চিহ্নিত করেন। এগুলো হলো, ইরান যুদ্ধের অবসান চাওয়া, জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব দেওয়া, ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি বজায় রাখা এবং ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের ধরনে পরিবর্তন আনা।
এদিকে নির্বাচনী পরাজয়ে ক্ষুব্ধ রিপাবলিকান কর্মীদের উদ্দেশে ভ্যান্স বলেন, তাঁদের ক্ষোভ অস্বাভাবিক নয়। তবে এই ক্ষোভ ও রাজনৈতিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে নিজেদের আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রিপাবলিকান প্রার্থীদের নির্বাচিত করার জন্য কাজ করা উচিত।
ভ্যান্সের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, নির্বাচনী বিপর্যয়ের পর রিপাবলিকান শিবিরে ইরান যুদ্ধের প্রভাব এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণে এসব প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au