লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে উত্তেজনা, কি ঘটেছিল
মেলবোর্ন, ১৬ জুন- জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর যুক্তরাজ্য সফরকে কেন্দ্র করে পূর্ব লন্ডনে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পূর্বনির্ধারিত একটি…
চীনের সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই তিব্বতের আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামা নিশ্চিত করেছেন, তিনি মৃত্যুর পর একজন উত্তরাধিকারী মনোনীত করবেন। মঙ্গলবার ভারতের ধর্মশালায় নির্বাসিত তিব্বত সরকারের এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তৃতায় এ ঘোষণা দেন তিনি।
কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা ২ জুন (বুধবার) এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
৮৯ বছর বয়সী এই নোবেলজয়ী নেতা বলেন, “আমি যখন প্রয়াত হব, তখনও একজন দালাই লামা থাকবেন – এটি নিশ্চিত।” উত্তরাধিকারী প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি, তবে তিব্বতি বৌদ্ধ ধর্মে প্রচলিত পদ্ধতিতে নতুন দালাই লামা বাছাই হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন।
এমন ঘোষণা এমন সময় এলো, যখন চীন থেকে বারবার শোনা যাচ্ছে, তারা তিব্বতের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিজেরাই নির্ধারণ করবে। বেইজিং আগেই জানিয়েছে, দালাই লামার মৃত্যুর পর নতুন উত্তরাধিকারী বাছাইয়ে চীনের অনুমোদন থাকতে হবে। তবে দালাই লামা ও তার সমর্থকেরা এ ধরনের হস্তক্ষেপ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন।
দালাই লামা ১৯৫৯ সালে চীনা শাসনের বিরুদ্ধে ব্যর্থ বিদ্রোহের পর ভারত পালিয়ে আসেন এবং তখন থেকেই তিনি তিব্বতের জন্য অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক স্বায়ত্তশাসনের পক্ষে বিশ্বমঞ্চে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
তবে বেইজিং তাকে দীর্ঘদিন ধরেই ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ আখ্যা দিয়ে আসছে এবং তিব্বতের উপর চীনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। মৃত্যুর পর নতুন দালাই লামা বাছাইয়ের বিষয়ে চীনের হস্তক্ষেপ নিয়ে তিব্বতিদের মধ্যে উদ্বেগ আছে যে, চীন নিজের পছন্দমতো একজন দালাই লামাকে নিয়োগ করার চেষ্টা করবে।
ধর্মশালায় বক্তৃতার সময় দালাই লামা আরও বলেন, “আমাদের মধ্যে যে ঐতিহ্য, তা অব্যাহত থাকবে। আমাদের সম্প্রদায় ও সংস্কৃতি রক্ষার জন্য নতুন দালাই লামা আবশ্যক।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, পরবর্তী দালাই লামা হয়তো ভারতেই জন্ম নেবেন, যেখানেই এখন প্রবাসী তিব্বত সরকারের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা তিব্বতি সম্প্রদায় দালাই লামার এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে এবং আশা প্রকাশ করেছে, এটি তিব্বতের আধ্যাত্মিক নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au