তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকালে বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি
মেলবোর্ন, ২৩ জুলাই: মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। জন্তর মন্তরে চলমান এই আন্দোলনে…
মেলবোর্ন, ১৮ আগষ্ট- ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদসহ পুলিশের ১৮ জন উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার। সোমবার (১৭ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮–এর ৩(গ) অনুযায়ী তারা “পলায়নের শাস্তিযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত” হওয়ায় বিধি ১২ উপবিধি (১) অনুসারে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন সময়ে তারা খোরপোষ ভাতা পাবেন।
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন, ডিআইজি পদমর্যাদার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম; অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, গোলাম আজাদ, মো. আনোয়ার হোসেন, শেখ নাজমুল আলম, এ কে এম হাফিজ আক্তার ও মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম; পুলিশ সুপার পদমর্যাদার মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, মো. শাহাবুদ্দিন খান, বিপ্লব বিজয় তালুকদার ও মো. আবদুল্লাহিল কাফি; অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার তৌহিদুল ইসলাম, মঞ্জুরুল হক, নাজমুল হাসান ও ফারুক হোসেন; এবং সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার নূরে আলম সিদ্দিকী।
এই তালিকার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত নাম মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি পুলিশে বহুল ক্ষমতাবান কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার, নির্যাতনসহ নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে তার নাম উঠে আসে। তবে গত বছরের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে তিনি কার্যত আড়ালে চলে যান।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই কর্মকর্তারা পলায়নের শাস্তিযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত। প্রশাসনিক সূত্র জানায়, একাধিক মামলায় পুলিশ সদস্যদের দায়িত্বে অবহেলা, বেআইনি কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা ও রাজনৈতিক প্রভাবিত হয়ে কাজ করার অভিযোগে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শেষে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ে নানা অভিযোগ ওঠে, বিশেষত ২০২৪ সালের আন্দোলন-সংঘাতের সময় বিরোধীদল দমনে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা হয়। তখন সাধারণ মানুষ ও বিরোধী দলের কর্মীদের ওপর দমন-নিপীড়ন চালানোর অভিযোগও আসে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই বরখাস্ত কেবল প্রশাসনিক নয়, রাজনৈতিক দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ। দীর্ঘদিন ক্ষমতাসীন দলের ঘনিষ্ঠ বিবেচিত যেসব কর্মকর্তা বিতর্কিত ভূমিকা রেখেছেন, তাদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au