শেষ হচ্ছে উডের বাংলাদেশ অধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত
মেলবোর্ন ৩ সেপ্টেম্বর-দেখতে দেখতে শেষ হয়ে এলো জুলিয়ান উডের বাংলাদেশ অধ্যায়। এক মাসের দায়িত্বে অনূর্ধ্ব-১৯ দল, নারী ক্রিকেট, স্থানীয় কোচ এবং জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করার পর এবার বিদায় নিতে চলেছেন বাংলাদেশের পাওয়ার হিটিং কোচ।
গত মাসের শুরুর দিকে খণ্ডকালীন ভিত্তিতে ৩০ দিনের জন্য বিসিবি উডকে নিয়োগ দিয়েছিল। দায়িত্বে এসেই স্থানীয় কোচদের সঙ্গে কর্মশালা পরিচালনা করেন তিনি। পরে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের জাওয়াদ আবরার, আজিজুল হাকিম তামিমদের নিয়ে কাজ করেন। একইভাবে নারী দলের নিগার সুলতানা জ্যোতি, শারমিন আক্তার সুপ্তাদের জন্যও আয়োজন করা হয় বিশেষ সেশন।
তবে মূল কাজটা করেছেন জাতীয় দলের লিটন দাস, পারভেজ হোসেন ইমন, তানজিদ হাসান তামিমদের নিয়ে। প্রো ভেলোসিটি ব্যাট ব্যবহার করে ব্যাট সুইং বাড়ানো, বিভিন্ন ড্রিলের মাধ্যমে শটের জোর বাড়ানো—এসব কৌশল শিখিয়েছেন তিনি।
কিন্তু দীর্ঘ সময় ক্রিকেটারদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেলেন না উড। বুধবার নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টির মাধ্যমে শেষ হচ্ছে তার চুক্তি। বিসিবি ইতোমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, মেয়াদ আর বাড়ানো হচ্ছে না।
বিদায়ের আগে মঙ্গলবার শেষবারের মতো জাকের আলী অনিক, তাওহীদ হৃদয়দের নিয়ে কাজ করেন তিনি। পরে বাংলাদেশের স্পোর্টসভিত্তিক টিভি চ্যানেল টি স্পোর্টসের সঙ্গে আলাপে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বলেন, ‘খুবই ভালো অভিজ্ঞতা। এটি কষ্টের বিষয় যে শেষ হয়ে যাচ্ছে। তবে সময়টা দারুণ ছিল এবং ক্রিকেটাররাও পারফর্ম করেছে। এটিই সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ব্যাপার।
উড মনে করেন, পাওয়ার হিটিংয়ের উন্নতি একদিনে হবে না। টানা ড্রিল চালিয়ে গেলে বড় শট খেলার সামর্থ্যের উন্নতি ধীরে ধীরে দেখা যাবে।
তবে আফসোসও রইল তার কণ্ঠে। উড বলেন, ‘হ্যাঁ অবশ্যই! আরও কিছু দিন এখানে থাকতে পারলে ভালো লাগতো। তাদের সঙ্গে আরও কাজ করতে ভালোবাসতাম। তারা এখনো সামর্থ্যের চূড়ায় পৌঁছায়নি। এই দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে কোনো ইগো নেই। তারা দারুণ একটি দল। ভবিষ্যতের জন্য অনেক শুভকামনা।