আইসিইউতে ধর্ষণের শিকার শিশু, মাদ্রাসা সুপার আটক
মেলবোর্ন, ১৭ মার্চ- কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ১০ বছর বয়সী মাদ্রাসা পড়ুয়া এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসার সুপার মাওলানা সাইদুর রহমানকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।…
মেলবোর্ন, ৫ সেপ্টেম্বর- রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল না কেনার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একইসঙ্গে চীনের ওপরও অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন তিনি। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
হোয়াইট হাউসের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত “কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং” বৈঠকে ভিডিও কলে যোগ দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বৈঠকে রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির পর ইউক্রেনকে কীভাবে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দেওয়া হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছিল।
ওই কর্মকর্তা বলেন, “ইউরোপকে অবশ্যই রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করতে হবে। কারণ এই অর্থ দিয়েই মস্কো ইউক্রেন যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। শুধু গত এক বছরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি কিনে দিয়েছে ১.১ বিলিয়ন ইউরো।”
২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পর ইউরোপ দীর্ঘদিনের জ্বালানি নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা করছে। ইউরোপীয় কমিশন প্রস্তাব দিয়েছে, ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারির মধ্যে রাশিয়ার তেল ও গ্যাস আমদানি পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। ইতোমধ্যে বেশিরভাগ ইউরোপীয় দেশ ২০২২ সালেই রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল এবং ২০২৩ সালে জ্বালানি আমদানি বন্ধ করেছে। তবে হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়ার মতো কয়েকটি দেশ এখনও সীমিত পরিমাণে ক্রুড তেল নিচ্ছে। পাশাপাশি ভারতসহ তৃতীয় দেশে রাশিয়ার তেল প্রক্রিয়াজাত করার পর তা ইউরোপে পাঠানো হচ্ছে। ট্রাম্প আসলে কোন ধরনের আমদানিকে টার্গেট করেছেন, তা স্পষ্ট নয়।
কর্মকর্তা আরও জানান, ট্রাম্প বৈঠকে ইউরোপীয় নেতাদের উদ্দেশে বলেন, “রাশিয়ার যুদ্ধ অর্থায়নে চীনও ভূমিকা রাখছে, তাই তাদের ওপরও অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে হবে।”
এই বৈঠকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েনও উপস্থিত ছিলেন। আলোচনার মূল বিষয় ছিল ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা। তবে ট্রাম্প প্রশ্ন তোলেন, “ইউরোপীয়রা যদি এখনো রাশিয়ার অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখে, তবে তাদের আন্তরিকতা কোথায়? এটি আমার যুদ্ধ নয়, ইউরোপীয়দেরই আরও দায়িত্ব নিতে হবে।”
এর আগে ট্রাম্প সতর্ক করেছিলেন, রাশিয়ার তেল কিনলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে। তবে গত এপ্রিলে তিনি বহু দেশের ওপর শুল্ক আরোপ করলেও রাশিয়ার ওপর সরাসরি কোনো শুল্ক আরোপ করেননি।
অন্যদিকে, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে ইউক্রেনকে স্থল, সমুদ্র ও আকাশপথে আন্তর্জাতিক বাহিনী পাঠাতে ২৬টি দেশ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
সুত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au