ভেনেজুয়েলায় ৭ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক, নিহত বেড়ে ২২৯৫
মেলবোর্ন,২ জুলাই- ভয়াবহ দুই দফা ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনেজুয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৯৫ জনে। আহত হয়েছেন ১১ হাজারের বেশি মানুষ এবং এখনও প্রায়…
মেলবোর্ন, ১১ সেপ্টেম্বর- দুই দিনের টানটান উত্তেজনা, ব্যাপক বিক্ষোভ ও সহিংসতার পর আবার চালু হলো নেপালের প্রধান আন্তর্জাতিক গেটওয়ে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (টিআইএ)। রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত এ বিমানবন্দর বুধবার সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে পুনরায় কার্যক্রম শুরু করে।
সম্প্রতি দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারী শাসনের বিরুদ্ধে জেন–জি প্রজন্মের তরুণেরা রাজপথে নামে। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মেসেজিং অ্যাপ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করে।
বিক্ষোভ চলাকালে কাঠমান্ডুর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সরকারি ভবনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, এবং মাত্র দুই দিনের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি পদত্যাগে বাধ্য হন।
অব্যাহত সহিংসতা ও নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে মঙ্গলবার থেকে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সব ধরনের ফ্লাইট স্থগিত রাখা হয়।
পুনরায় চালুর ঘোষণা
বুধবার সন্ধ্যায় নেপালের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএএন) এক বিবৃতিতে জানায়,
“মঙ্গলবার থেকে স্থগিত থাকা অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো আজ থেকে পুনরায় চালু হচ্ছে।”
তবে তারা বিস্তারিত সময়সূচি প্রকাশ করেনি।
বিমানবন্দর চালুর পরপরই দেশটির শীর্ষ বেসরকারি এয়ারলাইন বুদ্ধ এয়ার ঘোষণা করেছে, বৃহস্পতিবার ভোর থেকে তাদের নিয়মিত ফ্লাইট পুনরায় শুরু হবে।
বুদ্ধ এয়ার জানিয়েছে, যাত্রীরা এখন তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ, অনলাইন ট্র্যাভেল পোর্টাল এবং ভ্রমণ এজেন্সির মাধ্যমে টিকিট বুক করতে পারবেন।
অন্য এয়ারলাইনগুলোও ধাপে ধাপে ফ্লাইট কার্যক্রমে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
নিরাপত্তা কমিটির বিশেষ বৈঠকের পর কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার অধীনে বিমানবন্দর চালুর অনুমতি মেলে। যাত্রী ও কর্মীদের সুরক্ষায় বিমানবন্দরের প্রবেশপথে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
কাঠমান্ডু উপত্যকায় পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক না হলেও, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বজায় রাখা ও অর্থনীতিকে সচল রাখতে বিমানবন্দর চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এই ঘটনা নেপালের সাম্প্রতিক ইতিহাসে এক নজিরবিহীন মুহূর্ত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষেধাজ্ঞা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনরোষ এত দ্রুত সরকারের পতন ডেকে আনবে, তা কেউ কল্পনা করেনি।
প্রধানমন্ত্রী অলির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে আন্দোলনকারীরা বড় ধরনের রাজনৈতিক জয় পেয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। তবে তারা সতর্ক করেছেন, পরিস্থিতি এখনো অস্থির এবং নেপালের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।
সূত্রঃ এএফপি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au