ভেনেজুয়েলায় ৭ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক, নিহত বেড়ে ২২৯৫
মেলবোর্ন,২ জুলাই- ভয়াবহ দুই দফা ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনেজুয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৯৫ জনে। আহত হয়েছেন ১১ হাজারের বেশি মানুষ এবং এখনও প্রায়…
মেলবোর্ন, ১১ সেপ্টেম্বর- পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) প্রদেশে ধারাবাহিক তিনটি অভিযানে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) সংশ্লিষ্ট অন্তত ১৯ জন সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। বৃহস্পতিবার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আইএসপিআরের তথ্যমতে, ৯ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর সময়ে কেপির বিভিন্ন জেলায় সংঘটিত তিনটি পৃথক অভিযানে এসব সন্ত্রাসী নিহত হয়।
অভিযান শেষে সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
পাকিস্তান সরকার টিটিপি-কে “ফিতনা আল-খারিজ” এবং বালুচিস্তানভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে “ফিতনা আল-হিন্দুস্তান” নামে অভিহিত করে থাকে। এসব গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানকে দেশটির নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে সরকার।
এই সফল সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের প্রশংসা করেছেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারি ও প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।
রাষ্ট্রপতি জারদারি বলেন “পাকিস্তানের সাহসী সেনাদের পেশাদারি ও বীরত্ব দেশের মানুষকে সন্ত্রাসের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করছে। এই অভিযানগুলো ভারত-সমর্থিত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের অটল অবস্থানকে প্রমাণ করে।”
প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলবে যতদিন না এ অভিশাপ পুরোপুরি দেশ থেকে নির্মূল হয়। পাকিস্তান সেনারা দিন-রাত পরিশ্রম করে খারিজি ও ফিতনা আল-হিন্দুস্তানের অপতৎপরতা নস্যাৎ করছেন।”
সাম্প্রতিক সময়ে খাইবার পাখতুনখোয়া ও বালুচিস্তান প্রদেশে সন্ত্রাসী হামলার হার বেড়েছে। ২০২২ সালের নভেম্বর টিটিপি সরকারের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভঙ্গ করে। এরপর থেকে নিরাপত্তা বাহিনী, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলার মাত্রা বাড়িয়ে দেয় গোষ্ঠীটি। ফলে পাকিস্তান সেনারা সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করেছে।
খাইবার পাখতুনখোয়ায় ১৯ সন্ত্রাসীর মৃত্যুর ঘটনায় পাকিস্তান সরকারের দাবি, এটি তাদের সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের বড় সাফল্য। তবে বিশ্লেষকদের মতে, টিটিপি ও অন্যান্য গোষ্ঠীর ঘন ঘন হামলা প্রমাণ করছে—দেশটিতে সন্ত্রাসবাদের শেকড় এখনো শক্তভাবে রয়ে গেছে। ফলে পাকিস্তানের জন্য সামনে আরও কঠিন লড়াই অপেক্ষা করছে।
সূত্র : ডন
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au