শ্রীলঙ্কাকে হটিয়ে টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে ৮ নম্বরে বাংলাদেশ
মেলবোর্ন, ৫ মে- আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে অষ্টম স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। বার্ষিক হালনাগাদের পর এই উন্নতি পেয়েছে টাইগাররা। র্যাঙ্কিং…
মেলবোর্ন, ১৪ সেপ্টেম্বর- প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে এবং যুক্তরাষ্ট্র–যুক্তরাজ্যের সঙ্গে হওয়া অকাস (AUKUS) চুক্তি বাস্তবায়নে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটি পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় নতুন পারমাণবিক সাবমেরিন শিপইয়ার্ড গড়ে তুলতে প্রায় ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে।
২০২১ সালে স্বাক্ষরিত অকাস চুক্তির মূল লক্ষ্য ইন্দো–প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলা করা। চুক্তির আওতায় আগামী দশক থেকে অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত আক্রমণাত্মক সাবমেরিন সরবরাহ করবে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। প্রথম ধাপে যুক্তরাষ্ট্র একাধিক ভার্জিনিয়া-শ্রেণির সাবমেরিন বিক্রি করবে অস্ট্রেলিয়াকে। পরবর্তী ধাপে যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া যৌথভাবে নতুন প্রজন্মের অকাস-শ্রেণির সাবমেরিন তৈরি করবে।
অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস বলেছেন, প্রস্তাবিত শিপইয়ার্ড কেবল সাবমেরিন নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ শিল্পেই নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। তিনি জানান, বর্তমান লেবার সরকার প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়িয়ে রেকর্ড পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে, যাতে দেশের নিরাপত্তা চাহিদা পূরণে যথাযথ সামরিক সক্ষমতা তৈরি হয়।
এর আগে, গত বছর পার্থ শহরের কাছে হেন্ডারসন নৌঘাঁটি আধুনিকায়নে ১২৭ মিলিয়ন অস্ট্রেলীয় ডলার (৮৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) বিনিয়োগ করা হয়েছিল। আগামী ২০ বছরের মধ্যে এ ঘাঁটিকে অকাস সাবমেরিন বহরের প্রধান রক্ষণাবেক্ষণকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি এখানে নতুন ফ্রিগেট জাহাজ এবং অস্ট্রেলীয় সেনাবাহিনীর জন্য ল্যান্ডিং ক্রাফটও নির্মাণ করা হবে।
সরকার জানিয়েছে, এই প্রকল্প সরাসরি প্রায় ১০ হাজার স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা আলোচনার মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার পদক্ষেপকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে দেখা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট সদস্যরা গত জুলাই অকাস চুক্তির প্রতি একযোগে সমর্থন জানিয়েছিলেন। যদিও একই সময়ে পেন্টাগনের প্রভাবশালী কর্মকর্তা এলব্রিজ কোলবি এর কার্যকারিতা নিয়ে পর্যালোচনা শুরু করেন।
অস্ট্রেলিয়া ইতিমধ্যে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ৫০ বছরের নতুন একটি চুক্তি করেছে, যাতে অকাস সহযোগিতা আরও জোরদার হয়। দেশটির আশা, রাজনৈতিক ও কৌশলগত জটিলতা সত্ত্বেও এ প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না।
সুত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au