মেলবোর্ন, ২৭ সেপ্টেম্বর- কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন জাসিম আল থানি বলেছেন, ইসরায়েলের বর্বরতা সমগ্র পশ্চিম এশিয়ার নিরাপত্তাকে বিপন্ন করছে। এই পরিস্থিতি দ্রুত বন্ধ করতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) অধিবেশনের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের কনজারভেটিভ ওয়েবসাইট ব্রেইটবার্ট নিউজ–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাতারি প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান। খবর দিয়েছে মেহের নিউজ।
আল থানি বলেন, ইসরায়েল শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তাই নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ ও দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা অংশীদারিত্বকেও দুর্বল করছে।
তিনি জানান, সম্প্রতি নিউইয়র্কে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
“প্রেসিডেন্ট অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে আমাদের কথা শুনেছেন। তিনি নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করে এ সমস্যার সমাধান ও যুদ্ধের অবসান ঘটাতে আগ্রহী।”
সপ্তাহের শুরুতে জাতিসংঘ অধিবেশনের পর আরব নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন ট্রাম্প। আলোচনার কেন্দ্রে ছিল ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হত্যাযজ্ঞ, বিশেষ করে দোহায় হামাস আলোচকদের ওপর হামলা।
কাতারি প্রধানমন্ত্রী বলেন,“আমাদের বিশ্বাস, যেকোনো সমাধান শুরু হতে হবে গাজা থেকে—সেখানে যুদ্ধ বন্ধ করে সেখান থেকে পথ তৈরি করতে হবে।”
তিনি আরও যোগ করেন, নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে ইসরায়েলের গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ড কোনো সীমা বা রেডলাইন মানছে না।
আল থানি ট্রাম্প প্রশাসনকে আহ্বান জানান, গাজায় যুদ্ধ বন্ধে ইসরায়েলের ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করতে। তাঁর মতে, একমাত্র ট্রাম্পই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে জবাবদিহির আওতায় আনতে পারেন।
তিনি অভিযোগ করেন, নেতানিয়াহু গাজার যুদ্ধকে ব্যক্তিগত রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছেন। এ প্রসঙ্গে আল থানি উল্লেখ করেন, ট্রাম্প নিজেও স্বীকার করেছেন যে দোহায় যা ঘটেছে তা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী।