অস্ট্রেলিয়ার যুব ফুটবলে নজর কাড়ছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দেবোপম ধর
মেলবোর্ন, ১৮ জুন- আধুনিক ফুটবলে রাইট উইংব্যাক ও ফুলব্যাক পজিশনকে সবচেয়ে পরিশ্রমসাধ্য এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। রক্ষণভাগ সামলানোর পাশাপাশি আক্রমণে গতি…
মেলবোর্ন,৫ অক্টোবর- গাজায় ইসরায়েলের হামলা থামছে কি না, এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির আহ্বান এবং তাঁর দেওয়া ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনায় হামাস আলোচনায় বসতে সম্মত হওয়ার পর কিছুটা আশার আলো দেখা দিলেও পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত।
গত সপ্তাহে ইসরায়েল গাজা সিটির সামরিক অভিযান বন্ধ করার নির্দেশ দিলেও উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। এতে বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি ও অবকাঠামো ধ্বংসের খবর আসছে প্রতিদিনই। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, যাদের বড় অংশ নারী ও শিশু।
হামাস বলছে, তারা শান্তি আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। তবে অস্ত্র পরিত্যাগ বা সম্পূর্ণ প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ছাড়ার মতো শর্তে তারা সায় দেয়নি। অপরদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, বন্দীবিনিময়সহ নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ না হলে সামরিক অভিযান আবারও জোরদার করা হবে।
হামাস আরও বলেছে, তারা একটি স্বাধীন ও অরাজনৈতিক ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (টেকনোক্র্যাট) কাছে গাজার শাসনক্ষমতা হস্তান্তর করবে।
ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনার মধ্যে হামাসের অস্ত্র সমর্পণের বিষয়টিও আছে। ট্রাম্পের পরিকল্পনার বিষয়ে হামাস বলেছে, একটি বিস্তৃত ফিলিস্তিনি জাতীয় রূপরেখার মধ্যে থেকে আলোচনা করা উচিত। ওই আলোচনায় হামাসও অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে অংশ নেবে।
জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মহল গাজায় মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও সেটি কতটা স্থায়ী হবে, তা নির্ভর করবে দুই পক্ষের বাস্তবসম্মত সমঝোতার ওপর।
গাজায় হামলা বন্ধের কিছু অগ্রগতি দেখা দিলেও ‘নির্বিচার হামলার’ সমাপ্তি এখনও নিশ্চিত নয়।
সুত্রঃ আল–জাজিরা
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au