অস্ট্রেলিয়ার যুব ফুটবলে নজর কাড়ছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দেবোপম ধর
মেলবোর্ন, ১৮ জুন- আধুনিক ফুটবলে রাইট উইংব্যাক ও ফুলব্যাক পজিশনকে সবচেয়ে পরিশ্রমসাধ্য এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। রক্ষণভাগ সামলানোর পাশাপাশি আক্রমণে গতি…
মেলবোর্ন, ৭ অক্টোবর- গাজায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে মিসরে পরোক্ষ আলোচনা শুরু করেছে হামাস ও ইসরায়েল। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি ও বন্দিবিনিময় চুক্তি বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র, মিসর ও কাতার মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে।
মিসরের পর্যটন শহর শারম আল শেখে গতকাল সোমবার শুরু হওয়া এই বৈঠকে ইসরায়েলের প্রতিনিধি দলও অংশ নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দ্রুত একটি কার্যকর চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য উভয় পক্ষকেই চাপ দেওয়া হচ্ছে।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লেভিট এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ও জিম্মিদের মুক্তি চান। এই আলোচনা সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে।” তবে আলোচনার মেয়াদ সম্পর্কে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “হামাসের সঙ্গে এই সপ্তাহান্তে অত্যন্ত ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। গাজায় যুদ্ধের অবসান ও ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি এখন সময়ের ব্যাপার।” তিনি আরও জানিয়েছেন, তাঁর প্রস্তাবিত ২০ দফা পরিকল্পনার প্রথম ধাপ এই সপ্তাহের মধ্যেই বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ চলছে।
রেডক্রস জানিয়েছে, তারা জিম্মি ও বন্দীদের বিনিময় প্রক্রিয়ায় সহায়তা দিতে প্রস্তুত এবং গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও করছে।
হামাসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, “আমরা যুদ্ধের দ্রুত অবসান ও বন্দিবিনিময় প্রক্রিয়া শুরু করতে আগ্রহী। তবে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পদক্ষেপ নিতে হবে।”
অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আশা প্রকাশ করেছেন, “কয়েক দিনের মধ্যেই কিছু জিম্মি মুক্ত হতে পারে।”
আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন হামাসের প্রধান আলোচক খলিল আল-হায়া, আর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে উপস্থিত আছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক আলোচক স্টিভ উইটকফ।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আলোচনা শুরুর আগে গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, “যুদ্ধের মাঝখানে আলোচনায় সাফল্য আসে না। বন্দিবিনিময়ের আগে হামলা বন্ধ করতেই হবে।”
মিসরীয় কর্মকর্তারা আশা করছেন, এই আলোচনাই হতে পারে দুই বছরব্যাপী গাজা যুদ্ধের অবসানের প্রথম বাস্তব পদক্ষেপ। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই নতুন উদ্যোগ মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়ায় একটি বড় কূটনৈতিক পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে।
সুত্রঃ বিবিসি ও এএফপি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au