শরীর ম্যাসাজের কথা বলে রুমে ডেকে বলাৎকার, পালিয়ে বেরাচ্ছেন মাদ্রাসা শিক্ষক
রংপুরের কাউনিয়ায় একটি মাদ্রাসার এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের আবাসিক এক শিক্ষার্থীকে শরীর ম্যাসাজ করে দেওয়ার কথা বলে কক্ষে ডেকে নিয়ে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক…
মেলবোর্ন, ৮ অক্টোবর- জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা (ইউনেসকো)-এর ৪৩তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশি এই মর্যাদাপূর্ণ দায়িত্বে আসীন হচ্ছেন। চলতি মাসের শেষের দিকে পরিষদের আসন্ন অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি খন্দকার এম তালহা।
আজ মঙ্গলবার ফ্রান্সে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইউনেসকোর নির্বাহী পরিষদের ২২২তম বৈঠকে জাপানের রাষ্ট্রদূত তাকেহিরো কানোর বিপক্ষে ৩০–২৭ ভোটে জয়লাভ করেন খন্দকার তালহা। সভাপতি পদে প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ, জাপান, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়া প্রার্থীতা দেয়। তবে গত সেপ্টেম্বরে দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারত তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেয়, ফলে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে।
খন্দকার তালহা অক্টোবরের শেষের দিকে উজবেকিস্তানের সমরখন্দে অনুষ্ঠেয় সাধারণ পরিষদের ৪৩তম সভায় সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। তিনি রোমানিয়ার রাষ্ট্রদূত সিমোনা মিরেলা মিকুলেস্কুর স্থলাভিষিক্ত হবেন এবং আগামী দুই বছর মেয়াদে এই শীর্ষ পদে দায়িত্ব পালন করবেন।
খন্দকার তালহা একজন অভিজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক। তিনি বিসিএস (পররাষ্ট্র) ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা হিসেবে ১৯৯৫ সালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন। অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী এই কূটনীতিক নিউইয়র্ক, তেহরান, জেনেভা ও লন্ডনে বাংলাদেশের বিভিন্ন মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন। ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনের সময় তিনি রাষ্ট্রাচার প্রধানসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। ২০২১ সালে তাঁকে ফ্রান্সে রাষ্ট্রদূত এবং ইউনেসকোতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, খন্দকার তালহা তাঁকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি তাঁর প্রার্থিতা সমর্থন করার জন্য তিনি শিক্ষা উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল আবরার ও সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি ইউনেসকোর নির্বাহী পর্ষদের সদস্যদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান, যারা বাংলাদেশের প্রার্থিতার প্রতি আস্থা রেখেছেন।
এ অর্জনকে বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে খন্দকার তালহা বলেন, বহুপক্ষীয় কূটনীতির এই সংকটময় সময়ে ইউনেসকোর ম্যান্ডেট সমুন্নত রাখতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করবেন। তিনি তাঁর এই বিজয় উৎসর্গ করেছেন দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশের সকল নাগরিককে।
এ বিষয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার এক বিবৃতিতে বলেন, “ইউনেসকোতে বাংলাদেশের সভাপতি পদে নির্বাচিত হওয়া নিঃসন্দেহে এক অসাধারণ অর্জন। এটি শুধু কূটনৈতিক সাফল্য নয়, বরং জাতীয় মর্যাদা ও আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার প্রতিফলন। এই অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ‘সফট পাওয়ার’ হিসেবে বৈশ্বিক পরিসরে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।”
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au