ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব
মেলবোর্ন, ১ মে- ভারতের আসাম রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার বাংলাদেশ নিয়ে সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতিবাদে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পাওয়ান বঢ়েকে তলব করেছে বাংলাদেশ…
মেলবোর্ন, ১৪ অক্টোবর- ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির নথিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ বিভিন্ন দেশের নেতা স্বাক্ষর করেছেন। আজ সোমবার মিসরের পর্যটন শহর শারম আল শেখে অনুষ্ঠিত ‘গাজা শান্তি সম্মেলনের’ উদ্বোধনী পর্বে এই স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হয়।
প্রথমে নথিতে স্বাক্ষর করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। পরে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এবং আরও কয়েকজন বিশ্বনেতা স্বাক্ষর করেন।

প্রথমে নথিতে স্বাক্ষর করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ছবিঃ রয়টার্স
স্বাক্ষরের পর ট্রাম্প বলেন, “এটি কার্যকর থাকবে।” তিনি জানান, সম্মেলনে ভাষণ দেবেন এবং পার্শ্ব বৈঠকে নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
গত শুক্রবার ইসরায়েল ও হামাস ট্রাম্প প্রস্তাবিত ২০ দফা যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। এরই মধ্যে হামাস ২০ জন জীবিত জিম্মি ও কয়েকজনের মরদেহ ইসরায়েলের কাছে হস্তান্তর করেছে, আর ইসরায়েল প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে।
শান্তি প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখার জন্য মিসর, কাতার ও তুরস্কসহ আরব ও মুসলিম দেশগুলোর নেতাদের ধন্যবাদ জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, “আপনারা সবাই যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।”
মিসরের প্রেসিডেন্ট সিসিকে দেশটির সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘দ্য অনার অব দ্য নীল’ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, “সিসি খুব শক্তিশালী একজন নেতা। তিনি অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন।”
কাতারের আমিরকে ‘অসাধারণ হৃদয়ের মানুষ’ এবং এরদোয়ানকে ‘সব সময় পাশে থাকা বন্ধু’ বলে প্রশংসা করেন ট্রাম্প। তিনি হাস্যরস করে বলেন, “এরদোয়ান যতটা পারেন কঠোর, কিন্তু আমরা তাঁকে ভালোবাসি।”
সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদসহ আরও কয়েকজন নেতাকেও ধন্যবাদ জানান ট্রাম্প।
স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, “এই পর্যায়ে পৌঁছাতে ৫০০ থেকে ৩ হাজার বছর লেগেছে। সবাই ভেবেছিল এটা অসম্ভব, কিন্তু এখন এটি বাস্তবে ঘটছে।”
মিসরের প্রেসিডেন্ট সিসি যুদ্ধবিরতিকে “বড় অর্জন” বলে উল্লেখ করেন এবং ট্রাম্পের ভূমিকাকে “শান্তির পথে সবচেয়ে বড় অবদান” হিসেবে প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “এখন আমাদের কাজ এই যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখা।”
বক্তব্য শেষে ট্রাম্প ও সিসি করমর্দন করেন। ট্রাম্প বলেন, “তিনি একজন ভালো মানুষ, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের পাশে ছিলেন। আমি তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ।”
সুত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au