শরীর ম্যাসাজের কথা বলে রুমে ডেকে বলাৎকার, পালিয়ে বেরাচ্ছেন মাদ্রাসা শিক্ষক
রংপুরের কাউনিয়ায় একটি মাদ্রাসার এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের আবাসিক এক শিক্ষার্থীকে শরীর ম্যাসাজ করে দেওয়ার কথা বলে কক্ষে ডেকে নিয়ে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক…
মেলবোর্ন, ১৪ অক্টোবর- আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, কোনো স্থাপনাকে কারাগার ঘোষণা করা সরকারের এখতিয়ার, তবে আসামিকে গ্রেপ্তারের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করা বাধ্যতামূলক। তিনি বলেন, এরপর আদালতের আদেশেই নির্ধারিত হবে আসামিকে কোন কারাগারে রাখা হবে।
আজ সোমবার বিকেলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। গতকাল রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঢাকা সেনানিবাসের একটি ভবনকে সাময়িকভাবে উপকারাগার বা ‘সাবজেল’ ঘোষণা করেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “আমি এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি নথি পাইনি। তবে সরকার চাইলে যেকোনো জায়গাকে সাবজেল ঘোষণা করার ক্ষমতা রাখে। এটি সম্পূর্ণ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার। আমাদের প্রসিকিউশনের বিবেচ্য বিষয় নয়।”
তিনি বলেন, কাউকে সরাসরি জেলে নেওয়ার বিধান নেই। “আইন অনুযায়ী, আসামিকে প্রথমে গ্রেপ্তার করে আদালতে আনতে হয়। এরপর আদালত যদি কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন, তাহলে সেটি কেন্দ্রীয় কারাগার হতে পারে, সংসদ ভবনের কোনো অংশ হতে পারে, এমনকি এমপি হোস্টেল বা অন্য কোনো স্থানকেও সরকার কারাগার ঘোষণা করতে পারে। সেই জায়গাটি তখনই জেল হিসেবে গণ্য হবে।”
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, “আমাদের একমাত্র দায়িত্ব হলো আইন মেনে কাজ করা। কেউ গ্রেপ্তার হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে আদালতে হাজির করতে হবে। এটি সংবিধান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন এবং ফৌজদারি কার্যবিধিতেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে।”
“সেনাবাহিনীর গ্রেপ্তারের ক্ষমতা নেই”
তাজুল ইসলাম বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মানেই পুলিশ। সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেপ্তারের কোনো ক্ষমতা নেই।”
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় দুটি মামলা এবং জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের সময় রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় হত্যার ঘটনায় একটি মামলায় ২৫ জন সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জন এখন সেনা হেফাজতে আছেন।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, “গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাস্তবায়নের বিষয়ে সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোকে অবহিত করা হয়েছে। তবে সেনাবাহিনী কাউকে গ্রেপ্তার করবে না। পুলিশই এই পরোয়ানা বাস্তবায়ন করবে। সেনাবাহিনী শুধু সহযোগিতা করতে পারে।”
হেফাজতে থাকার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “যখন গ্রেপ্তার দেখানো হবে, তখন থেকেই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অবশ্যই তাঁকে আদালতে আনতে হবে। আইন অনুযায়ী এটিই বাধ্যতামূলক।”
সুত্রঃ প্রথম আলো
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au