শরীর ম্যাসাজের কথা বলে রুমে ডেকে বলাৎকার, পালিয়ে বেরাচ্ছেন মাদ্রাসা শিক্ষক
রংপুরের কাউনিয়ায় একটি মাদ্রাসার এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের আবাসিক এক শিক্ষার্থীকে শরীর ম্যাসাজ করে দেওয়ার কথা বলে কক্ষে ডেকে নিয়ে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক…
মেলবোর্ন, ১৪ অক্টোবর- ঢাকা সেনানিবাসের একটি ভবনকে সাময়িকভাবে কারাগার ঘোষণা করেছে সরকার। গতকাল রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সেনানিবাসের বাশার রোডের উত্তর পাশে অবস্থিত ‘এম ই এস বিল্ডিং নম্বর-৫৪’কে সাময়িক কারাগার হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে দেওয়া এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এই সিদ্ধান্ত এমন সময় এলো, যখন মানবতাবিরোধী অপরাধ ও জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানের সময় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিনটি মামলায় ২৫ জন সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ৮ অক্টোবর পরোয়ানা জারির পরের দিন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১৫ জন কর্মকর্তাকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে, যাঁদের মধ্যে ১৪ জন কর্মরত এবং একজন অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে (এলপিআর) আছেন।
সেনা সূত্রে জানা যায়, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচার চলাকালীন এই কর্মকর্তাদের সেনা হেফাজতেই রাখা হতে পারে। নির্দিষ্ট তারিখে তাঁদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে, এরপর আবার সেনা হেফাজতে নেওয়া হবে।
এই প্রেক্ষাপটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে সেনানিবাসের একটি ভবনকে কারাগার ঘোষণা করা হয়েছে। তবে সেখানে কাদের রাখা হবে, তা স্পষ্ট করে বলা হয়নি।
আইন মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, সরকার চাইলে কোনো বাড়িকে সাবজেল বা উপকারাগার ঘোষণা করে সেখানে মামলার আসামিদের রাখতে পারে। এর আগেও এমন নজির রয়েছে। ২০০৭-০৮ সালের এক-এগারো সরকারের সময় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তারের পর সংসদ ভবন এলাকার দুটি বাড়িকে সাবজেল ঘোষণা করা হয়েছিল।
সুত্রঃ প্রথম আলো
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au