ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব
মেলবোর্ন, ১ মে- ভারতের আসাম রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার বাংলাদেশ নিয়ে সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতিবাদে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পাওয়ান বঢ়েকে তলব করেছে বাংলাদেশ…
মেলবোর্ন, ১৬ অক্টোবর- সরকারি শিক্ষকদের জন্য বাড়িভাতা (হাউস রেন্ট অ্যালাউন্স) বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, ন্যূনতম দুই হাজার টাকা করে বাড়িভাড়া বাড়বে দেশের সব স্তরের সরকারি শিক্ষক-কর্মকর্তাদের জন্য।
অর্থ মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যৌথ আলোচনায় প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়েছে বলে জানা গেছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, বর্তমান বাড়িভাতা দেশের বিভিন্ন শহর ও উপজেলার বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ কারণে শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে ভাতা বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, রাজধানী ঢাকাসহ মহানগর এলাকায় কর্মরত শিক্ষকদের জন্য ভাতা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হতে পারে, আর উপজেলা পর্যায়ে কর্মরতদের জন্য তা ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হবে।
একজন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা জানান,
“শিক্ষকদের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও বাসাভাড়ার অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতির কারণে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রাথমিকভাবে ন্যূনতম দুই হাজার টাকা বাড়তি দেওয়া হবে, তবে জায়গাভেদে পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে।”
বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. গোলাম মোস্তফা এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন,
“এটি শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি। বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় এই পদক্ষেপ অনেকটা স্বস্তি দেবে, তবে আরও সমন্বিত সংস্কার প্রয়োজন।”
তিনি আরও বলেন, বাড়িভাতার পাশাপাশি পরিবহন ও চিকিৎসা ভাতাও বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বাড়াতে হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাড়িভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাবটি ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং ডিসেম্বর মাস থেকে নতুন ভাতা কার্যকর হতে পারে।
এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অনুমোদনের পর জানানো হবে।
বর্তমানে সরকারি শিক্ষকদের বেতন কাঠামোয় বাড়িভাতা মূল বেতনের নির্দিষ্ট শতাংশ হিসেবে দেওয়া হয়।
তবে রাজধানী ও বিভাগীয় শহরে বাসাভাড়া গত কয়েক বছরে দ্বিগুণ হওয়ায় শিক্ষকরা বাসাভাতা বৃদ্ধি না হলে “বাসা পাওয়া প্রায় অসম্ভব” বলে অভিযোগ করে আসছিলেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্ত শিক্ষকদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষা খাতে কর্মপরিবেশ উন্নত করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তবে বাজেটের ওপর এর চাপও বাড়বে, যা সরকারের সামগ্রিক ব্যয় পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলতে পারে।
দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে সরকারের এই পদক্ষেপ শিক্ষকদের মধ্যে স্বস্তি এনেছে। এখন অপেক্ষা ডিসেম্বর থেকে নতুন ভাতা কার্যকর হওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au