মেলবোর্ন ১৯ অক্টোবর–ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেন রিশাদ হোসেন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে এর আগে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়ায় বিমানবন্দরে ক্রিকেটারদের সাথে দর্শকরা খারাপ আচারণ করে। যদিও তারই সতীর্থ নাইম শেখ সেদিন জানান এটি কাম্য নয়। তারা দেশের জন্যই খেলেন।
ক্যারিবিয়দের বিপক্ষে ম্যাচ সেরা হয়ে আসেন সংবাদ সম্মেলনে আসেন রিশাদ৷ তার কাছে প্রশ্ন ছিলো বিমানবন্দরে ঘটনা সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনা নিয়ে। এসময় তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দেখেন না।
এদিন ৯ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে ৬ উইকেট নিয়ে দলকে জয়ের পথ দেখান এই উদীয়মান তারকা। ব্যাট হাতেও ২০০ স্ট্রাইকরেটে করেন ২৬।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মাঠে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরেও যদি ক্রিকেটারদের এমন নেতিবাচক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়, তাহলে তা তরুণ খেলোয়াড়দের মানসিকতার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
রিশাদের এই ম্যাচে ৬ উইকেট পাওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত হয়। একই সঙ্গে এটিই তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম ৬ উইকেট নেওয়া ম্যাচ, যা ভবিষ্যতে তাঁকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে বলেই মনে করেন বিশ্লেষকরা।
তবে সেদিনের ঘটনাগুলো একসঙ্গে মিলিয়ে দেখলে যেমন রিশাদের পারফরম্যান্স নিয়ে গর্ব করা উচিত, তেমনই প্রয়োজন একজন জাতীয় ক্রিকেটারের প্রতি সম্মান ও সহমর্মিতার চর্চা।