চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ৩ অক্টোবর- আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে জনমনে যে সন্দেহ-সংশয় তৈরি হচ্ছে, তা গণতন্ত্রের উত্তরণের পথকে আরও সংকটপূর্ণ করে তুলতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, প্রতিনিয়ত একের পর এক নতুন শর্ত যুক্ত করে গণতন্ত্রের পথকে জটিল করা হচ্ছে, যা উদ্বেগজনক।
রোববার (২ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে প্রবাসে বিএনপির সদস্যপদ নবায়ন ও নতুন সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচির অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, “পরাজিত পলাতক স্বৈরাচারের শাসনামলে জনগণের জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কোনো আগ্রহ ছিল না। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জনগণের মধ্যে প্রশ্ন উঠছে, যথাসময়ে কি নির্বাচন হবে? কিন্তু এমন তো হবার কথা ছিল না।”
তিনি বলেন, “শুধু বিএনপির বিজয় ঠেকাতে গিয়েই পতিত স্বৈরাচার দেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল। নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু উদ্বেগের বিষয়, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশেও এখন বিএনপির বিজয় ঠেকাতে অপপ্রচার ও অপকৌশল দেখা যাচ্ছে।”
তারেক রহমান বিশ্বাস প্রকাশ করেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী শক্তিতে বিশ্বাসী মানুষ ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই বিএনপিকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না। তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “ধানের শীষ জিতলে আপনি জিতেছেন, জিতবে দেশ ও গণতন্ত্র। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়ার প্রতি অমর্যাদা হয়, বা ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ খালেদা জিয়ার অবদান প্রশ্নবিদ্ধ হয়, এমন কিছু করবেন না।”
তিনি নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আপনাদের চারপাশে গুপ্ত স্বৈরাচার ওত পেতে আছে। নিজেদের মধ্যে বিভেদে জড়াবেন না, যাতে প্রতিপক্ষ সুযোগ নিতে না পারে।”
বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, “৩০০ সংসদীয় আসনে দলীয় প্রার্থী বা বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মনোনয়ন প্রায় চূড়ান্ত ধাপে আছে। প্রতিটি আসনে একাধিক যোগ্য প্রার্থী থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু সবাইকে মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব নয়। শিগগিরই ধাপে ধাপে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে।”
রাজপথের শরিকদের নিয়েও কথা বলেন তিনি। “যারা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে আমাদের সঙ্গে ছিলেন, তাদের কেউ কেউকেও বিএনপি প্রার্থী হিসেবে সমর্থন দেওয়া হবে। ফলে কিছু আসনে আমাদের দলের কেউ মনোনয়ন নাও পেতে পারেন। গণতন্ত্রের বৃহত্তর স্বার্থে আপনারা এই বাস্তবতাকে মেনে নেবেন,” বলেন তারেক রহমান।
তিনি আরও বলেন, “বিএনপি শুরু থেকেই ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখতে ছাড় দিয়েছে এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকেও সহযোগিতা করে আসছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, একের পর এক নতুন শর্ত জুড়ে গণতন্ত্রের উত্তরণের পথকে সংকটপূর্ণ করে তোলা হচ্ছে। আমাদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।”
তারেক রহমান গণতন্ত্রকামী সব রাজনৈতিক দলকে আহ্বান জানান, “কৌশল ও অপকৌশলের পার্থক্য বুঝতে না পারলে একসময় কোনো অগণতান্ত্রিক শক্তির কাছে বিনা শর্তে আত্মসমর্পণের পথেই যেতে হয়। মাঠে থাকা সব গণতান্ত্রিক দল যেন এই বিপদের কথা ভুলে না যায়।”
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au