বাংলাদেশে ৬৩৫ কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে চায় জাপান
আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে এক লাখ কোটি জাপানি ইয়েন, অর্থাৎ প্রায় ৬৩৫ কোটি মার্কিন ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে জাপান। প্রস্তাবিত এ বিনিয়োগে গাড়ি উৎপাদন,…
১৯৭৫ সালের ২২ আগস্ট খন্দকার মোশতাকের সরকার এ চার জাতীয় নেতাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠায়। প্রখ্যাত সাংবাদিক অ্যান্থনি মাসকারেনহাসের ‘বাংলাদেশ আ লিগ্যাসি অব ব্লাড’ গ্রন্থে চার নেতার হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা পাওয়া যায়।জাতীয় চার নেতাকে হত্যার পরদিন লালবাগ থানায় একটি মামলা হয়। এতে বাদী হন তৎকালীন কারা উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন) কাজী আবদুল আউয়াল। তদন্ত শেষে সিআইডি ১৯৯৮ সালের ২০ অক্টোবর ২০ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দেন৷। এরপর ছয় বছরের বেশি সময় ধরে চলে বিচারকাজ।
জেলহত্যার ২৯ বছর পর ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে রিসালদার মোসলেম উদ্দিন, দফাদার মারফত আলী শাহ ও এলডি (দফাদার) আবুল হাসেম মৃধাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
এ ছাড়া শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামি সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, বজলুল হুদা, এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদসহ ১২ জনকে দেওয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। খালাস পান সাবেক কে এম ওবায়দুর রহমান, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, নুরুল ইসলাম মঞ্জুর ও তাহের উদ্দিন ঠাকুর।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au