মেলবোর্ন, ৬ নভেম্বর- সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০ হাজার ২১৯ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী ৮ নভেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে, যা চলবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) এবার জেলা ভিত্তিক নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালনা করবে। দেশের সব জেলার প্রার্থীরাই আবেদন করতে পারবেন, তবে নিয়োগ সম্পূর্ণরূপে নিজ জেলার শূন্যপদ অনুযায়ী হবে। নিয়োগপ্রাপ্তদের কর্মস্থলও সংশ্লিষ্ট জেলা বা উপজেলার আওতাধীন বিদ্যালয়ে নির্ধারিত হবে।
ডিপিই সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর, তবে মুক্তিযোদ্ধা ও প্রতিবন্ধী কোটায় সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিল থাকবে। প্রার্থীদের অবশ্যই স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বা স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে হতে হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক। প্রার্থীরা www.dpe.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ টাকা, যা টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এবার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল স্ক্রিনিং সিস্টেম ব্যবহার করা হবে। লিখিত পরীক্ষার পর মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা তৈরি করা হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বলেন, “সরকার মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষক নিয়োগে নতুন করে স্বচ্ছতা ও দক্ষতার ওপর জোর দিচ্ছে। এবার কোনো প্রকার অনিয়মের সুযোগ থাকবে না।”
দেশব্যাপী শিক্ষক সংকট নিরসনে এই নিয়োগকে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোতে এই নিয়োগের ফলে শিক্ষার মানোন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছে সরকার।