মাদরাসায় সাত বছরের শিশুকে ছয় মাস ধরে বলাৎকার করছিলেন ৬জন
সাভার পৌর এলাকার শাহীবাগ মহল্লার মারকাযুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ মাদরাসায় সাত বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে প্রায় ছয় মাস ধরে বিভিন্ন সময়ে বলাৎকার ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ…
মেলবোর্ন, ৬ নভেম্বর- নিউইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচনে প্রগতিশীল প্রার্থী জোহরান মামদানির সম্ভাব্য জয়ের খবরে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “নিউইয়র্ক এখন উগ্র বামদের হাতে চলে যাচ্ছে। মামদানি শহরের জন্য এক ভয়াবহ সিদ্ধান্ত।”
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, মামদানি “আমেরিকাবিরোধী নীতির প্রতিনিধি” এবং তাঁর জয়ের মাধ্যমে “শহরটির আইন-শৃঙ্খলা আরও দুর্বল হয়ে পড়বে।” তিনি লেখেন, “নিউইয়র্কবাসী এক ভয়ংকর ভুল করেছে। এই শহরকে আমি আবার নিরাপদ করেছিলাম, এখন তারা সেটি নষ্ট করছে।”
মামদানি, যিনি মিশরীয় বংশোদ্ভূত এবং মুসলিম আমেরিকান রাজনীতিকদের মধ্যে অন্যতম আলোচিত মুখ, নিউইয়র্কের প্রথম দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত মেয়র হওয়ার পথে রয়েছেন। তিনি সামাজিক ন্যায়বিচার, আবাসন সংস্কার, পুলিশ সংস্কার এবং জলবায়ু নীতিতে কঠোর অবস্থানের কারণে তরুণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন।
ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। ডেমোক্র্যাট নেতারা ট্রাম্পের মন্তব্যকে “বিদ্বেষমূলক ও বিভাজন সৃষ্টিকারী” বলে অভিহিত করেছেন। নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটর আলেসান্দ্রা বিয়ানাগি বলেন, “ট্রাম্প যা-ই বলুন না কেন, মামদানির জয়ই প্রমাণ করছে আমেরিকানরা বৈচিত্র্য ও প্রগতির পক্ষে।”
অন্যদিকে, মামদানি ট্রাম্পের মন্তব্যকে “অপ্রাসঙ্গিক” বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমি রাজনীতি করি নিউইয়র্কবাসীর জন্য, ট্রাম্পের মনোভাব নিয়ে নয়। তিনি যেটাকে ভয় বলেন, আমি সেটাকেই পরিবর্তনের সুযোগ বলি।”
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া কেবল রাজনৈতিক নয়, কৌশলগতও। ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রস্তুতিতে ট্রাম্প তাঁর রিপাবলিকান ঘাঁটিকে আরও সংগঠিত রাখতে চান। মামদানির মতো প্রগতিশীল মুসলিম রাজনীতিকের উত্থান তাঁকে তাঁর সমর্থকদের কাছে “হুমকি” হিসেবে দেখাতে সাহায্য করছে।
নিউইয়র্কের স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, মামদানি ইতিমধ্যেই ভোটের ৬২ শতাংশ গণনা শেষে স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। যদি চূড়ান্ত ফলাফল তাঁর পক্ষে যায়, তবে এটি হবে যুক্তরাষ্ট্রের নগর রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক ঘটনা আর ট্রাম্পের জন্য, হয়তো তাঁর নিজের ভাষায়, “সবচেয়ে খারাপ দুঃস্বপ্ন।”
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au