‘সমাজ সংস্কার’-এর নামে গ্রামে নোটিশ জারি গানবাজনা বন্ধের ঘোষণা
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার একটি গ্রামে ‘সমাজ সংস্কার’-এর কথা বলে গানবাজনা ও বাদ্যযন্ত্র বাজানো নিষিদ্ধ ঘোষণা করে নোটিশ জারি করেছিল স্থানীয় একটি জামে…
মেলবোর্ন, ৮ নভেম্বর- জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি ও গণভোটের সময়সীমা নিয়ে রাজনৈতিক সমঝোতার জন্য সরকারের দেওয়া সাত দিনের সময় আগামী সোমবার শেষ হচ্ছে। কিন্তু শুক্রবার পর্যন্ত কোনো সমঝোতার লক্ষণ দেখা যায়নি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনা হয়েছে, কেবল সরকার উদ্যোগ নিলে দলটি আলোচনায় বসবে। বৈঠকে সরকারের ভূমিকারও সমালোচনা করেছেন নেতারা। তারা মনে করেন, আলোচনার সঠিক পরিবেশ সরকারই নষ্ট করেছে।
জামায়াতের আলোচনার আহ্বানকে বিএনপি ‘সঠিক পন্থা নয়’ বলে মনে করেছে। দলটি জানিয়েছে, রাষ্ট্রীয় বিষয়ে জামায়াত বিএনপিকে ডাকতে পারে না। ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক কোনো ইস্যু হলে আলাদা বিষয়। তাই জামায়াতের আহ্বানে সাড়া দেবে না বিএনপি।
অন্যদিকে আলোচনার জন্য বিএনপির সাড়া না পেয়ে জামায়াত আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, সোমবারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক থেকে যদি নভেম্বরে গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত না আসে, তবে পরের দিন থেকেই যুগপৎ আন্দোলন শুরু হবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা জানিয়েছেন, দলগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ চলছে, তবে কেউই ছাড় দিতে রাজি নয়। সরকারের ধারণা, শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক সমঝোতা সম্ভব হবে।
বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধিকাংশ উপদেষ্টা একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের পক্ষে মত দেন। তবে কেউ কেউ মনে করেন, এতে সংস্কার ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তাই সরকার এক সপ্তাহ সময় দিয়ে দলগুলোকে আলোচনার সুযোগ দেয়।
এদিকে, জামায়াত, এনসিপি, এবি পার্টি ও গণতন্ত্র মঞ্চসহ নয়টি দল বিএনপি-জামায়াতের দূরত্ব কমাতে উদ্যোগ নিলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি। বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, সরকারের আলোচনার আহ্বান ‘তামাশা মাত্র’।
বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকার নিজেই ভোট ব্যাহত করার পরিস্থিতি তৈরি করছে। গণভোট হলে তা নির্বাচনের দিনই হতে হবে। নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হতে হবে।”
জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. তাহের জানান, “বিএনপির কাছ থেকে কোনো সাড়া পাইনি। সরকার যদি এখনো সিদ্ধান্ত না নেয়, তাহলে আন্দোলন ছাড়া পথ নেই।”
অন্যদিকে, এনসিপি বলছে, জুলাই সনদে নোট অব ডিসেন্ট রাখার সুযোগ থাকবে না। দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, “যা ঐকমত্য হয়েছে, বাকিটা ঠিক করবে জনগণ।”
বিএনপি জানিয়েছে, সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে তারা নোট অব ডিসেন্টসহ স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের আইনানুগ বাস্তবায়ন চাইবে। তবে ১১ নভেম্বর জামায়াতের মহাসমাবেশের পাল্টা কোনো কর্মসূচি দেবে না। দলটি মনে করছে, নির্বাচনের আগে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করা ঠিক হবে না।
বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা বলেন, প্রয়োজনে মাঠের সক্ষমতা প্রমাণে কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে। সেই লক্ষ্যেই গতকাল ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবসে’ সারা দেশে দলীয় শোডাউন করা হয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au