চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ১০ নভেম্বর- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করেছে। দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২,৭৬১টি। তবে স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) জানিয়েছে, এর মধ্যে ৮,২২৬টি কেন্দ্র “অধিক ঝুঁকিপূর্ণ” এবং ২০,৪৩৭টি কেন্দ্র “ঝুঁকিপূর্ণ” হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। অর্থাৎ মোট ভোটকেন্দ্রের প্রায় ৬৭ শতাংশ কোনো না কোনোভাবে ঝুঁকিপূর্ণ।
এসব কেন্দ্রের ঝুঁকি নির্ধারণ করা হয়েছে ভৌত অবকাঠামো, থানার দূরত্ব, কেন্দ্রের নিকটবর্তী প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বাসস্থান, সীমান্তবর্তী অবস্থান, সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী অধ্যুষিত এলাকা ইত্যাদিকে বিবেচনা করে। এসব কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কমিশন পুলিশ, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করবে।
ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, দেশে ৬৪ জেলায় মোট ভোটকেন্দ্রের জন্য পুরুষ ভোটারের জন্য ১,১৫,১৩৭টি কক্ষ এবং নারীর জন্য ১,২৯,৬০২টি কক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে। মোট কক্ষের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ২,৪৪,৬৪৯টি। প্রতিটি কেন্দ্রে গড়ে ৬০০ পুরুষ ভোটারের জন্য একটি এবং ৫০০ মহিলা ভোটারের জন্য একটি কক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া প্রাথমিকভাবে ১৪টি অস্থায়ী ভোটকেন্দ্র রয়েছে।
গোয়েন্দা সংস্থা এসবি সতর্ক করেছে যে নির্বাচনের সময় অবৈধ অস্ত্র পৌঁছানোর ঝুঁকি থাকতে পারে। এছাড়া ভোটকেন্দ্রে অবৈধ অর্থের প্রবাহ, সাইবার বুলিং, জঙ্গি ও সংখ্যালঘু বিষয়, ভয়েস ক্লোনিং এবং খারাপ তথ্য প্রতিরোধের জন্যও পদক্ষেপ নিতে হবে। নির্বাচনের সময় যে বাহিনী ঘটনাস্থলের আশেপাশে থাকবে, তাকে সর্বপ্রথম রেসপন্স করতে হবে।
এছাড়া সীমান্তের বর্ডার আউটপোস্টে (বিওপি) বিজিবি কমপক্ষে ২০ জন সদস্য মোতায়েন রাখবে। কক্সবাজারের প্রতিটি বিওপিতে থাকবে ২৫ জন। নির্বাচনে ৪৯২টি উপজেলায় বিজিবি ১১,৬০ প্লাটুন সদস্য মোতায়েন করতে পারবে। সেনাবাহিনী সীমান্তের দুই কিলোমিটারের মধ্যে মোতায়েন না করাই ভালো হবে বলে মতামত দিয়েছে। ভোটে ৬০টি উপজেলায় বিজিবি ও র্যাব এবং ৩৭৭টি উপজেলায় বিজিবি ও সেনাবাহিনী একসাথে মোতায়েন থাকবে।
র্যাব ভোটে ভ্রাম্যমাণ টিম হিসেবে কাজ করবে, ড্রোন ও হেলিকপ্টার ব্যবহার করবে। ভোটকেন্দ্রে সাড়ে পাঁচ হাজারের মতো এই বাহিনী কাজ করবে। গুজব প্রতিরোধে সাইবার ইউনিটও সক্রিয় থাকবে। সেনাবাহিনী ৯০,০০০ থেকে এক লাখ সদস্য মোতায়েনের প্রস্তুতি রাখবে। নৌবাহিনী তিন হাজার সদস্য, বিমানবাহিনী পরিবহন বিমান, সরঞ্জাম ও জনবল প্রস্তুত রাখবে। ভোটকেন্দ্রপ্রতি পুলিশের অন্তত একটি বডিওর্ন ক্যামেরা থাকবে। কোস্টগার্ড ৯টি জেলার ১৭টি উপজেলায় তিন হাজার সদস্য মোতায়েন করবে।
নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যেই বিভিন্ন জোন (রেড, ইয়েলো, গ্রিন) নির্ধারণ করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। চেকপয়েন্ট বসানো, সীমান্ত ও সি-রুট সিল করা, এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলিতে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইসি বলেছে, পূর্বের নির্বাচনের মতো এবারও এসবি’র প্রতিবেদন ও সুপারিশের ভিত্তিতে কেন্দ্রে বাহিনী সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au