বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ, উত্তরের জেলায় বিদ্যুৎ সংকট
মেলবোর্ন, ২৩ এপ্রিল- দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন হঠাৎ করেই পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। কয়লার সঙ্গে পাথর মিশে আসার কারণে বয়লার পাইপ ফেটে এই…
মেলবোর্ন, ১৬ নভেম্বর- নতুন দিল্লির এক নিরাপদ ও অজ্ঞাতস্থানে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা। দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সঙ্কট, তাঁর দলের নিষেধাজ্ঞা, উগ্রবাদের উত্থান এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন।
চার মেয়াদের প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন যে তাঁকে রাজনৈতিকভাবে সরাতে গিয়ে বাংলাদেশকে গণতন্ত্রবিহীন এক অস্থির অবস্থায় ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে কোনো নির্বাচন জনগণের কাছে বৈধ হতে পারে না। তিনি অভিযোগ করেন, একটি অনির্বাচিত সরকার অসাংবিধানিক চার্টারের মাধ্যমে নির্বাচন সাজাচ্ছে এবং এতে কোটি ভোটার ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। নির্বাসন থেকে ফেরার শর্ত হিসেবে তিনি মুক্ত, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন এবং আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে পুনর্বহালের প্রয়োজনীয়তার কথা জানান।
হাসিনা বলেন, অতীতের কিছু সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে আরও দ্রুত আলোচনা ও উদ্যোগ নেওয়া যেত। বিশেষ করে সরকারি চাকরির কোটাব্যবস্থা নিয়ে যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল, তা আরও বিস্তৃত আলোচনার মধ্য দিয়ে সমাধান করা সম্ভব ছিল। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, তাঁর সরকারের ১৫ বছরের উন্নয়নযাত্রা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অবকাঠামোগত অগ্রগতি বাংলাদেশের জন্য বড় সাফল্য ছিল।
তিনি আজকের বাংলাদেশকে ভয়াবহ মেরুকরণ, উগ্রপন্থার বিস্তার এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ভাঙনের মুখে দেখছেন। তাঁর দাবি, বর্তমান প্রশাসনের ছায়াতলে চরমপন্থীরা শক্তিশালী হচ্ছে, সংখ্যালঘুরা নিরাপত্তাহীনতায় আছে এবং গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না।
ইউনুস নেতৃত্বাধীন সরকারের বিষয়ে তিনি বলেন, এই প্রশাসন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের দমন করছে এবং সংবিধান উপেক্ষা করছে। তাঁর মতে, বিদেশে উদারপন্থি ভাবমূর্তি থাকা সত্ত্বেও ইউনুস দেশে চরমপন্থীদের ওপর ভর করে শাসন টিকিয়ে রাখছেন।
তিনি পাকিস্তান–সমর্থিত জঙ্গি নেটওয়ার্কের পুনরুত্থানকে বাংলাদেশের জন্য গুরুতর নিরাপত্তা হুমকি বলে উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, অতীতে বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করে উগ্রবাদ দমনে সাফল্য পেয়েছিল, কিন্তু বর্তমান প্রশাসনের নরম অবস্থানের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে।
সাক্ষাৎকারের শেষে শেখ হাসিনা আবারও দাবি করেন, বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হলে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার জরুরি। সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচনই দেশের রাজনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠার একমাত্র পথ বলে মনে করেন তিনি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au