শাহবাগে ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিকের ওপর হামলা
মেলবোর্ন, ২৪ এপ্রিল- ঢাকার শাহবাগ থানার সামনে ডাকসুর দুই নেতা এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর…
মেলবোর্ন, ১৮ নভেম্বর- আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডাদেশ ঘোষণার পর নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেছেন, তাকে ন্যায়সংগতভাবে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি এবং ট্রাইব্যুনাল নিরপেক্ষ আচরণ করেনি।

ছবিঃ সংগৃহীত
জুলাই অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সোমবার শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১। মামলায় রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বিচারটি চলে তাদের অনুপস্থিতিতে, কারণ ৫ আগস্টের পর থেকে হাসিনা ও কামাল ভারতে অবস্থান করছেন। তাদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীরা।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। ছবিঃ সংগৃহীত
রায়ের পর দেওয়া বিবৃতিতে শেখ হাসিনা বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে একটি অনির্বাচিত সরকারের উগ্রপন্থি চিন্তাধারাই প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, আন্দোলন দমনে ১৪০০ মানুষ হত্যার যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা মিথ্যা এবং তিনি কোনো সময় এমন নির্দেশ দেননি। বরং সহিংসতায় উভয় পক্ষের মৃত্যুতেই তিনি শোকাহত ছিলেন।
হাসিনা দাবি করেন, তার অনুপস্থিতিতে বিচার হওয়ায় তিনি নিজের আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ পাননি এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তার ভাষায়, ট্রাইব্যুনালের নামে ‘আন্তর্জাতিক’ শব্দ থাকলেও বিচারপ্রক্রিয়ায় কোনো আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মানা হয়নি, আর আদালত নিরপেক্ষ আচরণও করেনি।
তিনি অভিযোগ করেন, তার প্রতি সহানুভূতিশীল বিচারপতি ও আইনজীবীদের ‘হয় অপসারণ করা হয়েছে, নয়তো ভয় দেখিয়ে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।’ পাশাপাশি আদালত শুধুমাত্র আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে, অথচ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে নথিভুক্ত সহিংসতার অভিযোগে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, তার ব্যর্থতা ও বিশৃঙ্খল প্রশাসন থেকে নজর সরাতে এই বিচারকে ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম, বিভিন্ন এনজিও এবং কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থার মূল্যায়নেও অনিয়মের ইঙ্গিত রয়েছে।
বিচারের মুখোমুখি হতে তার আপত্তি নেই জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, নিরপেক্ষ আদালতে সব নথি উপস্থাপন করে বিচার হোক। তিনি আবারও অভিযোগগুলো আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে তোলার আহ্বান জানান, যা তিনি আগে থেকেই অন্তর্বর্তী সরকারকে প্রস্তাব করে আসছেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au