যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী নিখোঁজ
মেলবোর্ন, ২৩ এপ্রিল- যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় অধ্যয়নরত দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছেন। গত বুধবার (২২ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশের বরাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে…
মেলবোর্ন, ২৩ এপ্রিল- সরকার নতুন করে টাকা ছাপানো শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) মুখ্য অর্থনীতিবিদ আশিকুর রহমান। তিনি বলেন, মার্চ মাসেই বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। এটা হাইপাওয়ার মানি, ছাপানো টাকা। অর্থাৎ এটার প্রভাবে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে।
রাজধানীর বনানীতে পিআরআইয়ের নিজস্ব কার্যালয়ে ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা নিয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরাসরি সরকারের এই ঋণ গ্রহণ আসলে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন অর্থ বা নতুন অর্থ সৃষ্টি করার সমতুল্য, যা সাধারণভাবে “ছাপানো টাকা” হিসেবে বিবেচিত হয়।
আশিকুর রহমান বলেন, এ ধরনের অর্থ সরবরাহ বাজারে অতিরিক্ত তরলতা তৈরি করে, যার ফলে পণ্যের দাম বাড়ার ঝুঁকি দেখা দেয়। তাঁর মতে, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য এটি একটি সতর্ক সংকেত।
সেমিনারে তিনি আরও বলেন, দেশের চলমান অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম থেকে পিছিয়ে গেলে তা আত্মঘাতী হতে পারে। বিশেষ করে ব্যাংক খাত সংস্কারের গতি কমে গেলে আর্থিক খাতে ঝুঁকি আরও বাড়বে। তিনি সতর্ক করে বলেন, সংস্কার প্রক্রিয়ায় ধীরগতি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে চলমান কর্মসূচিকে নিয়েও অপ্রয়োজনীয় চাপ তৈরি করছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স, বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেন, বর্তমানে ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিনিয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাজ করছে। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হবে কি না, এ ধরনের প্রশ্নের কারণে নতুন বিনিয়োগে আগ্রহ কমছে। এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে সরকার ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় আরও বাড়ানো দরকার বলে তিনি মত দেন।
পিআরআই চেয়ারম্যান জাইদি সাত্তার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
তিনি বলেন, জ্বালানির মূল্য ও সরবরাহে অস্থিরতা সরাসরি দেশের সব ধরনের পণ্যের দামে প্রভাব ফেলছে। পাশাপাশি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপও দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, এই অবস্থায় দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে বড় ধরনের কাঠামোগত সংস্কার জরুরি হয়ে পড়েছে। নির্বাচিত সরকারকে দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্রুত এসব সংস্কার বাস্তবায়নের দিকে এগোতে হবে।
সেমিনারে বক্তারা একমত হন যে, বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্বচ্ছ নীতি গ্রহণ, শক্তিশালী আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং ধারাবাহিক সংস্কার কার্যক্রম বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তা না হলে মূল্যস্ফীতি ও বিনিয়োগ সংকট আরও গভীর হতে পারে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au