শাহবাগে ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিকের ওপর হামলা
মেলবোর্ন, ২৪ এপ্রিল- ঢাকার শাহবাগ থানার সামনে ডাকসুর দুই নেতা এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর…
মেলবোর্ন, ১৯ নভেম্বর- শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। এক যুগের বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ এখন নেতৃত্ব সংকট, সাংগঠনিক দুর্বলতা এবং রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি।
হাসিনা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অনুপস্থিতিতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর দলটির শীর্ষ নেতারা প্রকাশ্যে খুব কমই কথা বলছেন। দলীয় সূত্র বলছে, এই রায় রাজনৈতিকভাবে তাদের জন্য বড় ধাক্কা এবং এর প্রভাব দলটার অস্তিত্ব পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছাতে পারে। এর ওপর রয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের নিষেধাজ্ঞা, যা আওয়ামী লীগকে আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে না।
বিশ্লেষকদের মতে, শেখ হাসিনার অনুপস্থিতি দলটির নেতৃত্ব কাঠামোয় বড় শূন্যতা তৈরি করেছে। উত্তরসূরি নিয়ে কোনো স্পষ্টতা নেই। যাঁরা সামনের সারিতে ছিলেন, তাঁদের অনেকে সম্ভাব্য আইনি ঝুঁকির কারণে নীরব থাকছেন। এর ফলে মাঠপর্যায়ে সংগঠনের কর্মকাণ্ড কমে এসেছে এবং কর্মীদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।
রায় বহাল থাকলে আওয়ামী লীগের সামনে চ্যালেঞ্জ আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কেউ কেউ মনে করছেন, দলটি নতুন নেতৃত্ব গড়ে তুলে সংগঠন পুনর্গঠন করে আবার সামনে আসার চেষ্টা করতে পারে। অন্যরা বলছেন, এ পরিস্থিতিতে ভাঙন ও বিভক্তির ঝুঁকি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
এর পরও আওয়ামী লীগের অনেক কর্মী বিশ্বাস করেন, দলটির দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাস, গ্রামীণ পর্যায়ে শক্তিশালী ভিত্তি এবং সংগঠনের পুরোনো কাঠামো তাদের আবার ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করতে পারে।
শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড এবং এর পরবর্তী প্রতিক্রিয়া এখন বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় মোড় আনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কোন পথে এগোবে, তা নির্ভর করছে এই রায়ের আইনগত ও রাজনৈতিক পরিণতি কীভাবে সামনে আসে তার ওপর।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au