চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ২০ নভেম্বর- অস্ট্রেলিয়ার বৈজ্ঞানিক গবেষণার অর্থায়ন ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। সম্প্রতি সিএসআইআরও (Commonwealth Scientific and Industrial Research Organisation)-তে বড় ধরনের বাজেট কাটছাঁট ঘোষণার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই কাটছাঁট কেবল সামান্য অংশ, প্রকৃত সমস্যার বিস্তার আরও গভীর এবং দীর্ঘমেয়াদি।
সিএসআইআরও-র ব্যয় কমানো মূলত নতুন গবেষণা প্রকল্প, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগের ওপর প্রভাব ফেলবে। বিশ্লেষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এ ধরনের অর্থায়ন হ্রাস দেশের বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষ এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অগ্রগতিকে প্রভাবিত করতে পারে।
অস্ট্রেলিয়ার গবেষণা খাত সরকারী ও বেসরকারি তহবিলের উপর নির্ভরশীল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সরকারের বিনিয়োগ কমে যাওয়ায় বহু গবেষণা প্রকল্প স্থগিত বা বাতিল হয়েছে। এর ফলে দেশের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন খাতে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করাচ্ছেন, সিএসআইআরও-র এই কাটছাঁট কেবল সংকটের চিহ্ন। মূল সমস্যা হলো বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ধারাবাহিক এবং পর্যাপ্ত বিনিয়োগের অভাব। যদি তা অব্যাহত থাকে, তাহলে অস্ট্রেলিয়ার বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায়, উদ্ভাবন এবং নতুন প্রযুক্তিতে দেশ পিছিয়ে পড়বে।
সরকার জানিয়েছে, সংস্থার বাজেট পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা প্রকল্প ও দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে অবদান রাখতে পারে এমন উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, শুধু কিছু প্রকল্প বাঁচানো পর্যাপ্ত নয়; দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতকে স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজন সমগ্র নীতি পুনর্বিবেচনা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au