চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ২৫ নভেম্বর- বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তগুলো নির্বাচিত সরকারের হাতেই থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, এলডিসি উত্তরণ বা বন্দর ব্যবস্থাপনা নিয়ে যেসব কৌশলগত সিদ্ধান্ত ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রভাবিত করবে, তা কোনো অনির্বাচিত অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে থাকা গ্রহণযোগ্য নয়।
সোমবার নিজের যাচাইকৃত ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন। পোস্টে তিনি এলডিসি উত্তরণ প্রক্রিয়া, শ্রমবাজারের সম্ভাব্য প্রভাব, আন্তর্জাতিক আলোচনায় বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা এবং চট্টগ্রাম বন্দর সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে উদ্বেগ তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, এলডিসি সুবিধা হারালে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে ছোট ও মাঝারি রপ্তানিমুখী শিল্প। তিনি উদাহরণ হিসেবে এক পোশাক কারখানা মালিকের সংকট এবং শ্রমিক পরিবারের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তারেক রহমানের মতে, এগুলো নীতিনির্ধারকদের সঠিক সময়ে সঠিক প্রশ্ন করাকে আরও জরুরি করে তোলে।
তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালে উত্তরণের সময় পরিবর্তনের সুযোগ নেই বলে সরকার দাবি করলেও ইতিহাস ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে। অ্যাঙ্গোলা ও সামোয়ার মতো দেশ নিজেদের সময়সীমা সংশোধন করেছে। জাতিসংঘের নিয়ম অনুযায়ী ধাক্কা এলে সময় বাড়ানোর সুযোগ আছে। তাই আলোচনার সুযোগ নিজ হাতে বন্ধ করে দেওয়া অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বশীল আচরণ নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা ইতোমধ্যে ব্যাংক খাতের চাপ, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট, ঋণঝুঁকি বৃদ্ধি ও রপ্তানি মন্থর হওয়ার প্রভাব অনুভব করছেন। তাই প্রশ্নটি এলডিসি উত্তরণে বিরোধিতা নয়, বরং প্রস্তুতির বাস্তবতা।
তারেক রহমান চট্টগ্রাম বন্দরকেও কৌশলগত সিদ্ধান্তের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, বন্দরসংক্রান্ত দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকারগুলো রুটিন কার্যক্রম নয়, বরং জাতীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনার গুরুতর পদক্ষেপ। একটি অনির্বাচিত সরকার এসব সিদ্ধান্ত ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর চাপিয়ে দিতে পারে না।
তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় জনমত, জনপরামর্শ ও গণতান্ত্রিক বৈধতা অপরিহার্য। দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা সেই সরকারের থাকা উচিত যে জনগণের কাছে জবাবদিহি করে।
তারেক রহমান জানান, বাংলাদেশের মানুষ কখনোই নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নীরব থাকে না। সম্মান, মত প্রকাশের অধিকার ও অংশগ্রহণের দাবি তাদের দীর্ঘদিনের সংগ্রাম। তাই ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনই হবে জনগণের মত প্রকাশের পরবর্তী বড় সুযোগ।
তার কথায়, দেশের ভবিষ্যৎ গঠন করবে দেশের মানুষই, এবং সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রথম শর্ত হলো একটি নির্বাচিত সরকারের উপস্থিতি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au