‘ফিনালিসিমা’ বাতিলের পর কাদের বিপক্ষে খেলবে আর্জেন্টিনা
মেলবোর্ন, ১৮ মার্চ- স্পেনের বিপক্ষে বহুল আলোচিত ‘ফিনালিসিমা’ ম্যাচ বাতিল হওয়ায় বিকল্প পরিকল্পনায় প্রীতি ম্যাচ খেলতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল। আসন্ন বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ…
মেলবোর্ন, ২৯ নভেম্বর- নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, আফ্রিকার বনভূমি আর কার্বন শোষণকারী অঞ্চল হিসেবে কাজ করছে না। বরং বিপরীত ঘটনায় এই বনগুলো এখন কার্বন নিঃসরণের উৎসে পরিণত হয়েছে। ফলাফল প্রকাশের পর বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রেইনফরেস্ট অঞ্চলের পরিবেশগত ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিজ্ঞানীরা জানান, ২০১০ সালের পর থেকে আফ্রিকার বনভূমিতে নাটকীয় পরিবর্তন ধরা পড়ে। দক্ষিণ আমেরিকার অ্যামাজন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও আফ্রিকার রেইনফরেস্ট অঞ্চলগুলো একসময় বৈশ্বিক উষ্ণতা কমাতে সহায়ক ছিল। কিন্তু দ্রুত বন ধ্বংস, খনিজ উত্তোলন, জমির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং জীবাশ্ম জ্বালানির কারণে এগুলো এখন জলবায়ু সংকটকে আরও তীব্র করছে।
গবেষণায় দেখা যায়, ২০১০ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে আফ্রিকার বন প্রতিবছর প্রায় ১০৬ বিলিয়ন কেজি জৈবভর হারিয়েছে। সবথেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর আর্দ্র-ক্রান্তীয় বন, মাদাগাস্কার এবং পশ্চিম আফ্রিকার কিছু অঞ্চল।
উপগ্রহচিত্র ও মেশিন লার্নিংয়ের সাহায্যে যুক্তরাজ্যের তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা ১০ বছরের কার্বন পরিবর্তন বিশ্লেষণ করেন। তাঁদের তথ্য বলছে, ২০০৭ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত এই বনগুলো কার্বন শোষণ করত। ২০১০-এর পর ব্যাপক বন উজাড়ের কারণে এই ভূমিকা সম্পূর্ণ বদলে যায়।
গবেষকেরা সতর্ক করেছেন যে, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে পৃথিবী তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কার্বন বাফারগুলোর একটি হারাবে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বন সংরক্ষণে বিনিয়োগ বাড়ানোই এখন জরুরি।
ব্রাজিল ইতিমধ্যে ‘ট্রপিক্যাল ফরেস্ট ফরএভার ফ্যাসিলিটি (টিএফএফএফ)’ নামের একটি উদ্যোগ নিয়েছে, যার লক্ষ্য বন উজাড় কমাতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া। যদিও ১০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল গঠনের পরিকল্পনা থাকলেও এখন পর্যন্ত মাত্র ৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে সম্মত হয়েছে কয়েকটি দেশ।
গবেষণার অন্যতম লেখক হাইকো বালৎসার মনে করিয়ে দিয়েছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে বন ধ্বংস বন্ধের প্রতিশ্রুতি বিশ্বনেতারা কপ২৬ সম্মেলনে দিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবে তার খুব কমই অগ্রগতি দেখা গেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আফ্রিকার বন রক্ষা না হলে বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি আরও বাড়বে। তাই খনিজ উত্তোলন, কৃষি সম্প্রসারণ ও অবকাঠামো নির্মাণের চাপ কমিয়ে কার্যকর আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এখন সময়ের দাবি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au