মহানবীকে কটূক্তির অভিযোগে হিন্দু যুবক গ্রেপ্তার
মেলবোর্ন, ২২ এপ্রিল- খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তির অভিযোগে শ্যামল গাইন (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার…
মেলবোর্ন, ৪ ডিসেম্বর- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পেতে জাল সনদ ব্যবহার করেছেন এমন আরও ১ হাজার ১৭২ শিক্ষক ও কর্মচারীকে শনাক্ত করেছে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর। সংস্থাটির সর্বশেষ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে তারা ভুয়া সনদ দিয়ে চাকরি করেছেন এবং নিয়মিত বেতন-ভাতা নিয়েছেন।
ডিআইএ তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ভুয়া নিয়োগ, অনিয়মিত অর্থ লেনদেন, ভ্যাট ও আইটি ব্যবস্থাপনায় অসঙ্গতিসহ বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মে মোট ২৫৩ কোটি টাকা ফেরতের সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ডিআইএ পরিচালক অধ্যাপক এম এম সহিদুল ইসলাম জানান, শনাক্ত ব্যক্তিদের তালিকা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হবে।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি জাল সনদের ঘটনা পাওয়া গেছে রাজশাহী বিভাগে, যেখানে ৭৭৯ জন শিক্ষক-কর্মচারীর সনদ জাল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে ১২০ জন, ঢাকা বিভাগে ৭০ জন, খুলনা বিভাগে ১৭৯ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ২৪ জনের সনদ জাল পাওয়া গেছে।
শনাক্ত ১ হাজার ১৭২ জনের মধ্যে প্রায় ৪০০ জনের সনদ একেবারেই ভুয়া, আর প্রায় ৩০০ জনের সনদ অগ্রহণযোগ্য। প্রথম ধাপে ৪০০ জাল সনদধারী শিক্ষকের তালিকা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে ডিআইএ।
এদিকে শিক্ষক নিয়োগের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এনটিআরসিএ বহুদিন ধরে পরীক্ষা ও মেধাতালিকা-ভিত্তিক সুপারিশপত্র প্রদান করে আসছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাল সনদ ও ভুয়া সুপারিশ ব্যবহার করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ বাড়তে থাকায় নিয়মিত তদন্ত ও শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au