মহানবীকে কটূক্তির অভিযোগে হিন্দু যুবক গ্রেপ্তার
মেলবোর্ন, ২২ এপ্রিল- খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তির অভিযোগে শ্যামল গাইন (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার…
মেলবোর্ন, ১২ ডিসেম্বর- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছেন, জাতির প্রত্যাশা পূরণে সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন আয়োজনই তাদের অঙ্গীকার। জনগণের অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন বিশ্বদরবারে দেশের ভাবমূর্তি দৃঢ় করবে বলে তিনি আশাবাদী।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন সিইসি। ভাষণটি বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার এবং বেসরকারি চ্যানেলগুলো একযোগে প্রচার করে।
সিইসি ভাষণের শুরুতেই মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। পাশাপাশি ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টের ছাত্র জনতা গণঅভ্যুত্থানে প্রাণ হারানোদের স্মরণ করেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের জন্য দেশের মানুষের আত্মত্যাগই জাতির মূল শক্তি।
নাসির উদ্দীন বলেন, জনগণের মালিকানা প্রতিষ্ঠার একমাত্র উপায় নির্বাচন। তিনি স্বীকার করেন, অতীতে মানসম্মত নির্বাচন না হওয়ায় জনগণের প্রত্যাশা ক্ষুণ্ন হয়েছিল, যার প্রেক্ষাপটেই ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। তিনি বলেন, এখন সেই আত্মত্যাগের প্রতিশ্রুতির ওপর দাঁড়িয়ে নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য একটি নির্ভুল, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা।
গত এক বছরে নির্বাচন ব্যবস্থায় নানা সংস্কারের কথা তুলে ধরে সিইসি জানান, স্বচ্ছ ভোটার তালিকা প্রস্তুতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি বাদ পড়া ও ভোট বিমুখ প্রায় ৪৫ লাখ মানুষকে তালিকায় আনা হয়েছে। ২১ লাখের বেশি মৃত ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। নারী ভোটারের সঙ্গে পুরুষ ভোটারের ব্যবধান কমাতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়, যা তালিকায় ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।
তিনি আরও জানান, আইন সংশোধন করে ভোটার হওয়ার যোগ্যতার তারিখ নির্ধারণের ক্ষমতা কমিশনের হাতে এসেছে। এর ফলে ৩১ অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত তরুণ ভোটাররা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
গত ১৮ নভেম্বর প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী দেশে বর্তমানে ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জনে। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ১৪ হাজার ৯০৭ জন এবং নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৭৯ হাজার ৪২ জন।
সিইসির ভাষণে নির্বাচনী আইন ও আচরণবিধি সংস্কার, নির্বাচন কমিশন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়ানোসহ নানা পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরা হয়। তিনি জানান, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশসহ বিভিন্ন অংশীজনের পরামর্শ নিয়ে এসব পরিবর্তন বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
নাসির উদ্দীন বলেন, এসব উদ্যোগ সম্পন্ন করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং দেশের মানুষকে আসন্ন নির্বাচনে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au