চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ২২ ডিসেম্বর- বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি বা ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (ইপিএ) নিয়ে দীর্ঘদিনের আলোচনা শেষ হয়েছে। আলোচনার সমাপ্তিতে দুই দেশই একে অপরের বিপুলসংখ্যক পণ্যে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ইপিএ স্বাক্ষর ও কার্যকর হওয়ার পর জাপান বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দেবে। এর মধ্যে তৈরি পোশাকসহ গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি পণ্য রয়েছে। অপরদিকে বাংলাদেশ জাপান থেকে আমদানি করা ১ হাজার ৩৯টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান করবে।
অন্তর্বর্তী সরকার এই অগ্রগতির কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়। বাণিজ্য উপদেষ্টা এস কে বশির উদ্দিন জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোতেগি তোশিমিতসুর সঙ্গে টেলিফোনে আলাপের পর বাংলাদেশ–জাপান ইপিএ আলোচনা সম্পন্ন হওয়ার ঘোষণা দেন।
চুক্তিতে শুধু পণ্য বাণিজ্যই নয়, সেবাখাতও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর আওতায় বাংলাদেশ ৯৭টি উপখাত এবং জাপান ১২০টি উপখাত খুলে দিতে সম্মত হয়েছে। এতে দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং ব্যবসায়িক সহযোগিতা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই ইপিএ প্রক্রিয়ার সূচনা হয় একটি যৌথ সমীক্ষা গ্রুপ গঠনের মাধ্যমে। গ্রুপটি ২০২৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর তাদের প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে ১৭টি খাতকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সমন্বিত চুক্তির সুপারিশ করা হয়।
সমঝোতা অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয় ২০২৪ সালের ১২ মার্চ। নির্ধারিত কর্মপরিকল্পনার আওতায় প্রথম দফার আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় ওই বছরের মে মাসে ঢাকায়। পরবর্তীতে আলোচনা সাময়িকভাবে স্থগিত থাকলেও অন্তর্বর্তী সরকারের নির্ধারিত দ্রুততর সময়সূচির অধীনে ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে আবার আলোচনা শুরু হয়।
এরপর ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় ও টোকিওতে একাধিক দফায় আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। টোকিওতে অনুষ্ঠিত সপ্তম ও শেষ দফার আলোচনার মাধ্যমে সব বিষয় চূড়ান্ত হয় এবং পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী ইপিএর চূড়ান্ত খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
বাংলাদেশ ও জাপানের এই ইপিএ দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au