ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফুল দিতে এসে গ্রেপ্তার ৪, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফুল দিতে এসে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন চারজন। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দিয়ে আদালতে…
মেলবোর্ন, ২৩ ডিসেম্বর- জাতিসংঘের বিশেষ দূত আইরিন খান বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার যদি একটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে চায়, তাহলে সরকারকে অবশ্যই মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো মানুষের স্বাধীনভাবে কথা বলার অধিকার এবং সেই অধিকার রক্ষা না হলে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সোমবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সম্পাদক পরিষদের আয়োজনে মব ভায়োলেন্স বা সংঘবদ্ধ সহিংসতার বিরুদ্ধে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এসব কথা বলেন আইরিন খান।
সভায় তিনি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, দিনদুপুরে একজন মানুষকে প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়েছে, যা সমাজে গভীর ভীতির পরিবেশ তৈরি করেছে। এ ধরনের ঘটনা শুধু একটি ব্যক্তির জীবন কেড়ে নেয় না, বরং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয় এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে ফেলে।
তিনি আরও বলেন, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের কার্যালয়ে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনাগুলোর উদ্দেশ্য ছিল সংবাদমাধ্যমকে ভয় দেখানো। এই হামলাগুলোর মাধ্যমে গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও কর্মীদের আতঙ্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। আইরিন খান বলেন, সরকারকে এসব ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে এবং নেপথ্যে কারা জড়িত তা খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে অপরাধীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
জাতিসংঘের এই বিশেষ দূত বলেন, এসব ঘটনা স্পষ্টতই একটি উসকানির অংশ এবং সেই উসকানির পেছনে কারা কাজ করছে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা সরকারের দায়িত্ব। জনগণের ক্ষোভকে একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে যেভাবে সংবাদমাধ্যমের ওপর হামলা চালানো হয়েছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং নিন্দনীয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বক্তব্যের শেষভাগে আইরিন খান আবারও জোর দিয়ে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার যদি সত্যিকার অর্থে একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে চায়, তবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করা ছাড়া তাদের সামনে আর কোনো বিকল্প নেই। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এ ক্ষেত্রে সরকারের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা বলে উল্লেখ করেন তিনি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au