চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ২৪ ডিসেম্বর- বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে চিঠি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের কয়েকজন প্রভাবশালী সদস্য। একই সঙ্গে আসন্ন নির্বাচনের আগে একটি রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা।
হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির র্যাংকিং মেম্বার প্রতিনিধি গ্রেগরি ডব্লিউ. মিকস, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সাবকমিটির চেয়ারম্যান বিল হুইজেঙ্গা এবং র্যাংকিং মেম্বার সিডনি কামলেগার-ডোভ বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) এই চিঠি পাঠান। এতে সহস্বাক্ষর করেন কংগ্রেস সদস্য জুলি জনসন ও টম সুয়োজি।
চিঠিতে কংগ্রেস সদস্যরা বলেন, জাতীয় সংকটের প্রেক্ষাপটে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণকে তারা স্বাগত জানান। তবে নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করতে হলে সব রাজনৈতিক মতাদর্শের পক্ষগুলোর সঙ্গে কাজ করা এবং ব্যালটের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে জনগণের মতামত প্রতিফলনের পরিবেশ তৈরি করা জরুরি বলে তারা উল্লেখ করেন।
তারা আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে স্থগিত করা কিংবা ত্রুটিপূর্ণ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনরায় চালু করা হলে সেই লক্ষ্য অর্জন ব্যাহত হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
চিঠিতে সংগঠনের স্বাধীনতা এবং সম্মিলিত দায়ের পরিবর্তে ব্যক্তিগত ফৌজদারি দায়বদ্ধতার নীতিকে মৌলিক মানবাধিকার হিসেবে উল্লেখ করা হয়। কংগ্রেস সদস্যদের মতে, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেসব ব্যক্তি অপরাধ বা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত বলে প্রমাণিত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াই গ্রহণযোগ্য পথ। এর পরিবর্তে কোনো রাজনৈতিক দলের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা মৌলিক মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে তারা মন্তব্য করেন।
চিঠিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, সব পক্ষকে অন্তর্ভুক্ত করে বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশে গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক আস্থার ভিত্তি শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au